kalerkantho

মাদক কারবারিকে আটক করে ছেড়ে দিল পুলিশ!

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাইদুল ইসলাম রাসেল (৩৬) নামে এক মাদক কারবারিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে মধ্যম কড়লডেঙা লুদরী সিকদারপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এর আগে ওই এলাকার মাজার গেট সংলগ্ন রাসেলের শ্রমিক থাকার ঘরের পাশ থেকে চোলাই মদের দুটি বস্তা জব্দ করে পুলিশ। এ বিষয়ে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী উপ-পরিদর্শক কালের কণ্ঠের কাছে ভিন্ন বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।

এলাকাবাসী জানান, বোয়ালখালী উপজেলার মধ্যম কড়লডেঙা মাজার গেট সংলগ্ন রাসেলের শ্রমিক থাকার ঘরের পাশে মাদকদ্রব্য মজুদ রাখতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে মদের দুটি বস্তা জব্দ করে এলাকার লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে এলাকাবাসী রাসেলের নাম বললে পুলিশ তাঁকে আটক করে নিয়ে যায়। গত বছরের ১৪ এপ্রিল রাসেলের ছোট ভাই রুবেলও অস্ত্রসহ ধরা পড়ে। রাসেলসহ মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি এলাকাবাসী পুলিশ সদর দপ্তরে অভিযোগ করেছে।

বোয়ালখালী থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় ইউপি সদস্য খবর দিলে আমি ঘটনাস্থল গিয়ে চোলাই মদের দুটি বস্তা জব্দ করি। রাসেলের সঙ্গে পথে দেখা হলে তাঁকে থানায় আসতে বলি। রাতে সে থানায় আসে এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে চলে যায়।’ এ সময় তিনি রাসেলকে আটক করা হয়নি বলে দাবি করেন।

ইউপি সদস্য মো. করিম বলেন, ‘প্রায়ই মাদকদ্রব্য উদ্ধারে পুলিশকে সহায়তা করি আমরা এলাকাবাসী। গত সোমবার রাতে চোলাই মদ মজুদ করতে দেখে পুলিশকে খবর দিয়েছিলাম। কিন্তু  এভাবে আসামি ধরে ছেড়ে দেওয়া হলে ভবিষ্যতে পুলিশকে আর সহযোগিতা করব না।’

কড়লডেঙা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনছুর আহমেদ বলেন, ‘এলাকা থেকে মদ জব্দের পর পুলিশ সাইদুল ইসলাম রাসেলকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ইয়াবাসহ চোলাই মদের কারবার করে আসছে।’

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ‘পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০ লিটার মদ জব্দ করে পুলিশ। রাসেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

মন্তব্য