kalerkantho

শুক্রবার । ১৭ জানুয়ারি ২০২০। ৩ মাঘ ১৪২৬। ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

বৃক্ষপ্রেমিক

শাহজাহান কবির সাজু, পানছড়ি (খাগড়াছড়ি)   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৃক্ষপ্রেমিক

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে নিজ খরচে দুই হাজার চারা লাগানোর পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন আবদুল হালিম। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘গাছ আমার প্রাণ। ঘুম ভাঙলেই ছুটে আসি চারাগুলো কী অবস্থায় আছে দেখতে। ২০০৬ সালে থেকে এক মুহূর্তের জন্যও পানছড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে পারিনি গাছের মায়ায়। গাছে গাছে সবুজ পানছড়ি বানাতে চাই।’

কথাগুলো বৃক্ষপ্রেমিক মো. আবদুল হালিমের। তিনি পানছড়ি উপজেলায় দুই সহস্রাধিক গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছেন। এরই মধ্যে হাজারের বেশি চারা তিনি রোপণ করেছেন বলে জানান। নিজের টাকায় তিনি ওই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন।

মো. আবদুল হালিম পানছড়ি উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের মো. এরশাদ আলীর ছেলে।

হালিম জানালেন, পানছড়ির বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির ও গির্জায় তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করবেন। সম্পূর্ণ নিজের অর্থায়নে ওই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। আর ওই কর্মসূচি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর মনে স্বস্তি আসবে না বলেও জানালেন। তাঁর উদ্যোগেকে স্বাগত জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন শেখ। লোগাং বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর এলাকায় সম্প্রতি হালিমের চারারোপণ কর্মসূচিতে তাঁরাও অংশ নেন। কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধান করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

পানছড়ি বন বিভাগের ফরেস্টার সঞ্জয় হাওলাদার বলেন, ‘হালিমের ব্যক্তিগত এই উদ্যোগেকে আমরা স্বাগত জানাই। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, অর্থনৈতিক চাহিদা, ফলের চাহিদা ও পুষ্টি চাহিদা মেটাতে তাঁর লাগানো গাছগুলো যথেষ্ট সহায়ক হবে।’

গাউসিয়া নার্সারির স্বত্বাধিকারী হালিম চারা কলম তৈরিসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়েই কাজগুলো করছেন। বর্তমানে বিভিন্ন জাতের আমসহ অর্ধলক্ষাধিক চারাকলম বাজারজাতের অপেক্ষায় রয়েছে বলে হালিম জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা