kalerkantho

হটলাইনে অভিযোগ

রেলওয়ের জলাশয় দখলমুক্ত করতে দুদকের তৎপরতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৭ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রেলওয়ের জলাশয় দখলমুক্ত করতে দুদকের তৎপরতা

দীর্ঘদিন অবৈধ দখলে থাকা রেলওয়ের মালিকানাধীন তিনটি বড় জলাশয় ইজারায় অনিয়ম তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। হটলাইনে অভিযোগ পাওয়ার একদিন পরেই তৎপরতা শুরু করে দুদক। ইজারার অনিয়মের সঙ্গে দখল হয়ে যাওয়া জলাশয়ের আশপাশের রেলওয়ের ভূমিগুলোও উদ্ধারে কাজ করবে বলে দুদক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।

জলাশয় তিনটি হচ্ছে-আগ্রাবাদ ডেবা, পাহাড়তলী জোড় ডেবা ও ভেলুয়ারদিঘি। জলাশয় তিনটির মোট আয়তন প্রায় ৫৫ একর।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে দুদকের চট্টগ্রামের একটি টিম তিনটি জলাশয় সরেজমিনে পরিদর্শনের পাশাপাশি রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ভূসম্পদ বিভাগে গিয়ে ইজারা সংক্রান্ত নথিপত্রও সংগ্রহ করেছেন।

দুদকের হটলাইন নম্বরে (১০৬) গত ৫ আগস্ট সোমবার অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি রেলওয়ের এই তিন জলাশয়ের অবৈধ দখল ও ইজারায় অনিয়মের ব্যাপারে তথ্য দেন। এর প্রেক্ষিতেই গতকাল দুদকের টিম জলাশয় তিনটি সরেজমিন পরিদর্শন এবং রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ভূসম্পদ বিভাগে গিয়ে ইজারা সংক্রান্ত নথিপত্রও সংগ্রহ করেন বলে জানান দুদক, চট্টগ্রাম জেলা সমন্বিত কার্যালয়-২ এর উপ-পরিচালক লুৎফুল কবীর চন্দন।

তিনি বলেন, ‘ইজারা সংক্রান্ত কাগজ এবং কারা দখল করে আছে সেটা আমরা খতিয়ে দেখছি। কমিশনে দু’য়েকদিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেব। এর পর আমরা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে দিঘি ও আশপাশের সরকারি সম্পদ উদ্ধারের প্রক্রিয়া শুরু করব। রাষ্ট্রীয় সম্পদ দখলমুক্ত করতে উদ্ধার অভিযান চালানোর বিষয়টি দুদকের শিডিউলে আছে।’

জানা গেছে, মূলতঃ মাছ চাষের জন্য ইজারা দেওয়া জলাশয়গুলোর কিছু অংশ ভরাট করে এবং পাড় দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বস্তি, আবাসিক ভবন ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থাপনা। কার্যত জলাশয় এবং সংলগ্ন ভূমির ওপর মালিক প্রতিষ্ঠান রেলওয়ের এখন আর কোনো নিয়ন্ত্রণই নেই। উচ্চ আদালতে ইজারাদারদের মামলার কারণে রেলওয়ে আইনগত কোনো পদক্ষেপও নিতে পারছে না।

মন্তব্য