kalerkantho

চট্টগ্রামে ২২৮ হাট ঘিরে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা

মহাসড়কে পশু বিক্রির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি   

৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রাম জেলার ২২৮টি কোরবানির পশুর হাটে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ।  কোনো হাট মহাসড়কে বসানো যাবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা। ইজারাদারদের অবশ্যই, মহাসড়কের বাইরে পশুর হাট বসানো নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সোমবার সকালে নগরের দুই নম্বর গেট জিন্নুরাইন কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এসব বলেন। তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া মহাসড়কে যানবাহন থামাবে না পুলিশ। পশু পরিবহনকালে ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং জোরপূর্বক এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়ার চেষ্টা হলে পুলিশ তা কঠোরভাবে দমন করবে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ কে এম এমরান ভূঁঞা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. মশিউদ্দৌলা রেজা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) মো. আফরুজুল হক টুটুল ও  সড়ক পরিবহন নেতা মঞ্জুরুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

পুলিশ সুপার বলেন, ‘চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানার ২২৮ পশুর হাট, ৩০৮৮ ঈদ জামাত, ১৪ পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং চামড়া পাচাররোধে প্রায় ৩ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকছে। এ সময় পশুর হাটে জাল নোটের বিস্তাররোধ, মলম পার্টি, টানা পার্টির অপতৎপরতারোধে পুলিশ প্রস্তুতি নিয়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ঈদ জামাতগুলোতে পুলিশ আর্চওয়ে গেট স্থাপন ও হ্যান্ড হেল্ড মেটাল ডিটেক্টরের ব্যবস্থা করেছে।

খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের মতবিনিময় : পবিত্র ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে স্থানীয় সরকার, চেম্বার, ব্যবসায়ী সমিতি, ইজারাদার ও মোটর মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা করেছে খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ।

সোমবার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার উজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম সালাউদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার রওনক আলম, খাগড়াছড়ি পৌরসভার সচিব পারভিন আক্তার, খাগড়াছড়ি পরিবহন মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক এস এম শফি, খাগড়াছড়ি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লিয়াকত আলী চৌধুরী, ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম প্রমুখ।

মন্তব্য