kalerkantho

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে চার চাঁদাবাজ ধরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নগরের বাকলিয়া থানার কল্পলোক আবাসিক এলাকার বি-ব্লকে একটি নতুন বাড়ি নির্মাণ করছেন মো. নজরুল ইসলাম। তাঁর কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে একদল চাঁদাবাজ। কিন্তু নজরুল ইসলাম চাঁদা দিতে রাজি হননি। এ কারণে নজরুলকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় চাঁদাবাজরা।

চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে চাঁদাবাজদের একজন বাকলিয়া থানায় ফোন করে খবর দেয় নজরুল ইসলামের বাসায় ইয়াবা আছে। এমন তথ্য পেয়ে নজরুল ইসলামের বাসায় অভিযানে যায় বাকলিয়া থানা পুলিশ। অভিযানের মধ্যেই চাঁদাবাজদের দুজন ইয়াবা নিয়ে নজরুল ইসলামের বাসায় প্রবেশের চেষ্টাকালে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে চাঁদাবাজরা পুলিশের কাছে স্বীকার করে, চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে নজরুল ইসলামকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দিতে চেয়েছিলেন তাঁরা। শেষে পুলিশ ওই চক্রের চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. বাপ্পী (১৯), মো. নিশান (১৮), সিদ্দিকুর রহমান (২০) ও ইয়াসিন বিন ফয়সাল (১৯)। বুধবার মধ্যরাতে এ অভিযান চলে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বাপ্পী চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ঘটনার বিষয়ে বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নেজাম উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা বাড়ির মালিক নজরুল ইসলামের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় নজরুল ইসলামের ওপর ক্ষিপ্ত হয় তারা। এরপর আসামিরা যোগসাজশ করে নজরুল ইসলামকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এরই অংশ হিসেবে বাপ্পী থানায় ফোন করে খবর দেয় নজরুল ইসলামের বাড়িতে ইয়াবা আছে।’

‘পুলিশ গিয়ে নজরুল ইসলামের বাড়ি তল্লাশি করে ইয়াবা পায়নি। এরই মধ্যে ওই বাড়িতে দুই যুবক প্রবেশের চেষ্টা করলে অভিযানকারী পুলিশ সদস্যরা তাদের শরীর তল্লাশি করে। এ সময় থানায় ফোনে ইয়াবা থাকার তথ্য জানানো বাপ্পীর শরীর থেকেই চারটি ইয়াবা জব্দ করা হয়। পরে পুলিশ সাক্ষীদের সম্মুখে ইয়াবার জব্দ তালিকা করে। শেষে চারজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে আদালতে গিয়ে বাপ্পী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।’-যোগ করেন ওসি নেজাম।

মন্তব্য