kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

বৃষ্টিতেও থেমে নেই সরকারি গাছ চুরি

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উপজেলার চাম্বল পাহাড়ি এলাকায় প্রচণ্ড বৃষ্টিতেও থেমে নেই গর্জন গাছ চুরি। সরকারি এসব গাছ নির্বিচারে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোরের দল। সস্তা দামে পেয়ে কিনে নিচ্ছে স মিল মালিক ও কাঠ ব্যবসায়ীরা। সশস্ত্র  চোরের দলকে ঠেকিয়ে রাখতে পারছেন না বন বিভাগের কর্মকর্তারা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী বনদস্যুদের দমন করতে মাঠে নামিয়েছেন নিজস্ব বাহিনী! তিনি নিজেই ১০ জুলাই শেখেরখীলের নিমতলা এলাকার স মিলে অভিযান চালিয়ে ৬টি মূল্যবান গর্জন গাছ জব্দ করেন। অবশ্য ওই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চাম্বল বনবিট কর্মকর্তা শেখ আনিছুজ্জামানও।

চাম্বল ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী বলেন, ‘চাম্বল পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরে বনদস্যুরা গর্জন গাছসহ বিভিন্ন গাছ চুরি করছে। সম্প্রতি গাছ চুরি বেড়ে যাওয়ায় আমি নিজস্ব লোকজন দিয়ে পাহারা বসিয়েছি। ৯ জুলাই রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেও স্থানীয় মঞ্জুর আলম, মোহাম্মদ দিদার, সরওয়ার ও জয়নাল ৬টি গর্জন গাছ চুরি করে শেখেরখীলের এক স মিলে বিক্রি করেছে বলে শুনেছি। পরদিন ওই নিমতলা স মিলে গিয়ে গাছগুলোর সন্ধান পেয়ে বন কর্মকর্তাকে ডেকে গাছগুলো বুঝিয়ে দিয়েছি। স মিল মালিক জাকেরুল হক চোরের কাছ থেকে সস্তায় মাত্র ৩৭ হাজার টাকায় গাছগুলো কিনেছিলেন।’

চাম্বল বনবিট কর্মকর্তা শেখ আনিছুজ্জামান বলেন, ‘চাম্বলের বনদস্যুরা সশস্ত্র হওয়ায় এদের ঠেকানো যাচ্ছে না। বনদস্যু দিদারকে একমাস আগেও গাছ চুরির মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। জামিনে এসে আবার একইভাবে গাছ চুরিতে নেমেছে। গর্জন গাছ চুরি ঠেকাতে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গাছ চোরদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।’

মন্তব্য