kalerkantho

বুধবার । ১৭ জুলাই ২০১৯। ২ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৩ জিলকদ ১৪৪০

মিরসরাই ট্র্যাজেডির ৮ বছর

ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় স্মৃতির বেদি

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় স্মৃতির বেদি

মিরসরাই আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ে স্মৃতির বেদিতে শিক্ষার্থীদের পুষ্পাঞ্জলি। ছবি : কালের কণ্ঠ

দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি, শোকযাত্রা আর পুষ্পাঞ্জলির মধ্য দিয়ে মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহত ৪৫ জনকে স্মরণ করল সর্বস্তরের মানুষ। স্মৃতির বেদিতে ফুল দিতে এসে নীরবে কেঁদেছেন সবাই। বুকে ছিল কালোব্যাজ। আাাষাঢ়ের টানা বৃষ্টির দিনেও ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় স্মৃতির বেদি আবেগ ও অন্তিম।

মিরসরাই ট্র্যাজেডির আট বছর পূর্তিতে বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনাস্থলে নির্মিত বেদি ‘অন্তিম’-এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। এর পর মিরসরাই উপজেলা পরিষদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ, প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন-সংস্থা নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এ ছাড়া আবুতোরাব স্কুল সংলগ্ন নির্মিত স্মৃতির বেদি ‘আবেগ’-এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান নিহতদের মা-বাবাসহ স্বজনেরা। শ্রদ্ধা জানায় স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রফেসর কামাল উদ্দিন চৌধুরী কলেজসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। এ সময় স্মৃতির বেদি ফুলে ফুলে ছেয়ে যায়। কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল ও শোকযাত্রা শেষে বিদ্যালয় মিলনায়তনে মায়ানী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কবির আহম্মদ নিজামীর সঞ্চালনায় স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, ইউএনও মো. রুহুল আমীন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস হোসেন আরিফ, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান এম আলাউদ্দিন ও ইসমত আরা ফেন্সী, মঘাদিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম মাস্টার, আবুতোরাব স্কুলের প্রধান শিক্ষক মর্জিনা আক্তার, উপজেলা সিপিপি প্রধান এম সাইফুল্লাহ দিদার প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১১ জুলাই মিরসরাই স্টেডিয়াম থেকে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা দেখে একটি খোলা ট্রাকে বাড়ি ফিরছিল প্রায় ৮০ শিক্ষার্থী। পথে সৈদালী নামক স্থানে উল্টে গিয়ে পাশের খাদে পড়ে  ঘটনাস্থলেই মারা যায় ৩৮ শিক্ষার্থী ও এক গ্রামবাসী। পরে হাসপাতালে আহত আরো ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। নিজের ছেলের মৃত্যু হয়েছে ভেবে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায় এক বাবা। মর্মান্তিক ওই ঘটনায় মোট ৪৫ জন প্রাণ হারান।

মন্তব্য