kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

জোরারগঞ্জে গৃহবধূর লাশ পরিবারের দাবি হত্যা

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জোরারগঞ্জে গৃহবধূর লাশ পরিবারের দাবি হত্যা

শিশুকন্য কোলে নিহত হোসনে আরা।

উপজেলার জোরারগঞ্জে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় হিঙ্গুলী ইউনিয়নের মধ্যম আজম নগরের আব্দুল পণ্ডিত প্রকাশ কায়নীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম হোসনে আরা আক্তার লিপি (২৫)। তিনি ওই বাড়ির নুর মোহাম্মদের ছেলে কামাল উদ্দিনের স্ত্রী এবং একই ইউনিয়নের মেহেদী নগর গ্রামের শেখ আলম সওদাগর বাড়ির বাঁশ ব্যবসায়ী শেখ আলমের মেয়ে। তবে তাঁকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে মনে করছেন গৃহবধূর স্বজনরা। ঘটনার পর থেকে ওই গৃহবধূর স্বামী শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সদস্যরা পলাতক।

নিহত গৃহবধূর চাচা মফিজুর রহমান বলেন, ‘পার্শ্ববর্তী গ্রামের কামাল উদ্দিনের সঙ্গে ৪ বছর পূর্বে ভাতিজি লিপির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে লিপির ওপর নির্যাতন করত স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি। প্রতিনিয়ত তালাক দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হত। শেষ পর্যন্ত মেয়েটিকে তারা মেরেই ফেলল। ৪ মাস বয়সী কন্যা সন্তান রয়েছে নিহত লিপির।’

এলাকার ইউপি সদস্য দিল মোহাম্মদ বলেন, ‘গৃহবধূ লিপির স্বামী রাতে সাড়ে ১০টায় ফোনে আমাকে ঘটনাটি জানিয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি গৃহবধূ লিপি গলায় ফাঁস দিয়ে ঘরের তীরের সঙ্গে ঝুলে আছে।’ ফাঁস দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যতটুকু জেনেছি পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।’

জোরারগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই আবেদ আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে রাত ১১টার সময় ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।’

এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে। তবে ঘটনার পর থেকে নিহতের পরিবারের সবাই গা ঢাকা দিয়েছেন। নিহতের পরিবার থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

মন্তব্য