kalerkantho

শনিবার । ২৪ আগস্ট ২০১৯। ৯ ভাদ্র ১৪২৬। ২২ জিলহজ ১৪৪০

চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়ক ফাঁকা

ঈদে ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে

সৌমিত্র চক্রবর্তী, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম)   

৪ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঈদে ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে

চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা গতকাল দুপুরে। ছবি : কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের সীতাকুণ্ড এলাকা একেবারেই ফাঁকা। যানজট দূরের কথা, কোথাও গাড়ির চাপ নেই। ফলে একেবারে নির্বিঘ্নে চলাচল করছেন ঈদে ঘরমুখো মানুষ।

সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রফিক আহমেদ মজুমদার বলেন, ‘আসলে ঈদ যাত্রীদের বেশির ভাগই এবার একটু আগেভাগে বাড়ি ফিরে গেছেন। ফলে চাপ কমে গেছে। এখন যাঁরা বাড়ি ফিরছেন তাঁদেরকে সড়কে কোনো ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে না। তবু আমরা মহাসড়কে সার্বক্ষণিক অবস্থান করছি।’

সোমবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বন্দরনগর চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার উপজেলা সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট থেকে পৌরসদর পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়ক একেবারেই ফাঁকা। মাঝে মধ্যে কিছু যানবাহন দেখা গেলেও সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। তবে যাত্রীর সংখ্যাও কম হওয়ায় যাত্রীদের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়েনি।

পরিদর্শনকালে সীতাকুণ্ড সদর বাস স্ট্যান্ডে দূরপাল্লার বেশ কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা বললে তাঁরা সকলেই জানান বাসের টিকিট পেতে কোনো কস্ট হয়নি। সীতাকুণ্ড সদর থেকে যশোরগামী যাত্রী মো. সোলেমান বলেন, ‘রবিবার রাতে বাসের টিকিট কেটে এখন বাসের জন্য অপেক্ষা করছি। টিকিট পেতে কোনো অসুবিধা হয়নি। ভাড়াও ছিল স্বাভাবিক।’

ভাটিয়ারী বাজারে ঢাকাগামী বাসের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রী বেসরকারি চাকরিজীবী রাজিয়া সুলতানা বলেন, ‘এবার গাড়িতে কোনো চাপ দেখছি না। এখনো পর্যন্ত সড়কে কোনো যানজটেরও খবর পাইনি। এতেই স্বস্তি লাগছে। এখন নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারলেই শান্তি। এবারের মতো সড়ক এত ফাঁকা দেখা যায়নি কখনো।’

সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট মা ফাতেমা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পর্যন্ত ঘুরে দেখলাম কোথাও কোনো যানজট বা গাড়ির চাপ নেই। পথ-ঘাট, বাস স্ট্যান্ডগুলো দেখেই মনেই হচ্ছে না যে ঈদের ছুটি পড়েছে।’

সীতাকুণ্ডের বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি মো. আহসান হাবীব বলেন, ‘আসলে আমরা বেশ কয়েকদিন ধরে ফিটনেসবিহীন ও কাগজপত্রবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছি। এই কারণে সড়কে এ ধরনের গাড়ির সংখ্যা কমে গেছে। এর ওপর ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে কয়েকদিন আগে থেকেই যাত্রীরা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। এ কারণে সড়কে গাড়ি ও যাত্রীর সংখ্যাও তুলনামূলক কমে গেছে।’

মন্তব্য