kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

ঈদ বাজার

পটিয়ায় রাতেও ভিড়

আবদুল হাকিম রানা, পটিয়া (চট্টগ্রাম)   

২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পটিয়ায় রাতেও ভিড়

৫০ হাজার টাকা দামের শাড়িও পাওয়া যায় পটিয়ায়। ছবি : কালের কণ্ঠ

উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে ঈদ বাজার জমজমাট। ক্রেতা সাধারণের উপচে পড়া ভিড় সর্বত্র। মার্কেটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সেজেছে আলম প্লাজা, পটিয়া নিউ মার্কেট ও শাহ আমির মার্কেট। আরো আছে পটিয়া সিটি, শাহ তৈয়বীয়া মার্কেট, রহমান মার্কেট, গুলজান সুপার মার্কেট, আবুল কাশেম মার্কেট, রহমান মার্কেট, পটিয়া সুপার মার্কেট, আলম প্লাজা, হাজি শপিং মল, শাহ আমির মার্কেট, চৌধুরী মার্কেট, ননী সুপার মার্কেট ও ছমদীয়া সুপার মার্কেট।

রহমান মার্কেটের মনিহারের মালিক আবুল হাশেম মিন্টু বলেন, ‘তিন রমজানের পর থেকে ক্রেতার ভিড় বাড়ছে।’ ফ্যাশন প্লাজার মালিক আশরাফুল আলম বলেন, ‘চট্টগ্রাম নগরের পরেই পটিয়ার মার্কেটগুলো ক্রেতাদের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্য। দিন দিন ক্রেতার সংখ্যা বাড়ছে।’ আল হোসাইনের মালিক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এখানে ৫ থেকে ৫০ হাজার টাকার শাড়ি পাওয়া যায়।’ ননী সুপার মার্কেটের মনে রেখ’র মালিক, মো. ইমরান বলেন, ‘আমাদের দোকানে ৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা দামের বিভিন্ন ধরনের শাড়ি রয়েছে। এখানকার দোকানিরা ক্রেতাদের পছন্দ ও রুচির বিষয়টি মাথায় রেখে দোকান সাজিয়েছেন দেশি-বিদেশি কাপড়, জুতা, প্রসাধনী সামগ্রী দিয়ে।’ পটিয়া নিউমার্কেটের জিলানী শাড়ির মালিক মো. হাসান ও শাহ আমির মার্কেটের ঢাকা গার্মেন্টসের মালিক আবদুল করিম বলেন, অতিরিক্ত লাভ নয়, সেবার মানসিকতায় ব্যবসা করছি।

আর এন মার্কেটের আল হোসাইনের মালিক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতারা দোকানে ভিড় করছেন।’

ব্যবসায়ী নেতা শফিউল আলম বলেন, ‘শুধু পটিয়া নয়, দক্ষিণ চট্টগ্রামের সব জায়গা থেকে ক্রেতারা পটিয়ার মার্কেটে ভিড় করেন।’

পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, ‘ক্রেতাদের নির্বিঘ্নে ঈদ বাজার নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা