kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীই আওয়ামী লীগের

উজ্জ্বল বিশ্বাস, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)   

২১ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীই আওয়ামী লীগের

বাঁশখালীতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন জমে উঠেছে। চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন তিনজন। আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মরহুম সোলতানুল কবির চৌধুরীর বড় ছেলে চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদলী (নৌকা)। বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. খোরশেদ আলম (আনারস) এবং সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মৌলভী নুর হোসেন (কাপ পিরিচ)।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর (টিউবওয়েল), মো. শাহাদাত চৌধুরী (তালা), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ এমরানুল হক ইমরান (উড়োজাহাজ) ও যুবলীগ নেতা মো. সোলাইমান (মাইক)। নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেহেনা আক্তার কাজেমী (ফুটবল) ও দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরীমন আক্তার (প্রজাপতি)।

জানা গেছে, বাঁশখালী উপজেলা ১৪ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার ৩ লাখ ৭ হাজার ৪৪৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬১ হাজার ১৮৩ জন এবং নারী ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৬৪ জন। আগামী ২৪ মার্চ এখানে ভোটগ্রহণ।

জানতে চাইলে নৌকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদলী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা আমার মা তুল্য জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে আমার বাবার আদর্শের নৌকার প্রার্থী বানিয়েছেন। আমি নির্বাচিত হলে এমন কোনো কাজ করব না, যাতে আমার বাবার সুনাম কিঞ্চিৎ পরিমাণও ক্ষুণ্ন হয়।’

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. খোরশেদ আলম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ভাই ঘোষণা দিয়েছিলেন বিদ্রোহীরা জয়ী হলে স্বাগতম। তাছাড়া আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি। তিনিও আমাকে নির্বাচন করার জন্য বলেছেন। বাঁশখালীর মাঠে রাজনীতির জন্য আমার ত্যাগ ও পরিশ্রম আছে। আমার বিশ্বাস, ভোটাররা আমাকে সেই মূল্যায়ন করবেন। আমি ইনশাল্লাহ নির্বাচিত হব।’

আওয়ামী লীগের আরেক বিদ্রোহী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মৌলভী নুর হোসেন বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থী মানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নয়। এখানে শুধু প্রতীক ফ্যাক্টর। আমি মনেপ্রাণে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। এখন যাঁরা গ্রামে গ্রামে জনপ্রতিনিধিত্ব করছেন এবং তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতা হয়েছেন, তাঁদের অনেকে আমার সৃষ্টি। ছোটবেলা থেকে অনেক নির্যাতন-নিপীড়ন ও কষ্টের সাক্ষী হয়ে প্রতিকূল রাজনীতি মোকাবেলা করে নেতা হয়েছি। আমার বিশ্বাস, সেই বিশ্বাসের মূল্যায়ন ২৪ মার্চ সন্ধ্যায় অবশ্যই পাব। সবার দোয়া চাই।’

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মে লিপ্ত হলে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে।’

এদিকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে সিআইপি মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল্লাহ কবির লিটনের তৎপরতা বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইতোমধ্যে নৌকার প্রার্থীকে নিয়ে সভা-সমাবেশ এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মুজিবুর রহমান সিআইপি। অপরদিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. শাহাদাত চৌধুরীর পক্ষে সভা-সমাবেশ করছেন লিটন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা