kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

চকরিয়ায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২, সীতাকুণ্ডে দুই ঘরে ডাকাতের হানা

টেকনাফে ‘পুলিশ’ পরিচয়ে ডাকাতি

দ্বিতীয় রাজধানী ডেস্ক   

১৪ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কক্সবাজারের টেকনাফে ‘পুলিশ’ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া চকরিয়ায় চিংড়িঘেরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপরদিকে সীতাকুণ্ডে আবারও একই রাতে দুই ঘরে ডাকাতি হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে :

টেকনাফ : পুলিশ পরিচয়ে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়ার পানচাষি সৈয়দ কাশিমের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। সৈয়দ কাশিম বলেন, ‘ডাকাতের পরনে কালো জ্যাকেট ও মুখে কালো কাপড় ছিল। এ সময় ঘরের বাইরে আরও অস্ত্রধারী লোকজন ছিল। এ ঘটনাটি এলাকার থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।’

টেকনাফ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি এম এস দোহা বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয় দোকানদার তৈয়ুব আহমদ বলেন, ‘টেকনাফ সদর ইউনিয়নের হাবিরছড়া ও মিঠাপানির ছড়া এলাকায় হঠাৎ করে ডাকাতির ঘটনা বেড়ে গেছে। কিছু অস্ত্রধারী লোক পাহাড়ে থাকে। রাত হলে পাহাড় থেকে গ্রামে গ্রামে ঢুকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ওই কাজ করছে। এতে পুরো এলাকার মানুষ ভয়ের মধ্যে রাতযাপন করছে।’

চকরিয়া : চিংড়িঘেরে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় দুর্ধর্ষ দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে জব্দ করা হয়েছে দেশে তৈরি একটি এলজি ও তিন রাউন্ড গুলি। বুধবার ভোরে উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মুড়াকাছা বাহারঘোনা চিংড়িঘেরে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডাকাতদল। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযানে যায়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী এলাকার ফরিদুল আলমের ছেলে সরোয়ার আলম (৩২) ও একই ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকার মৃত আলী আহমদের ছেলে মো. রমিজ উদ্দিন (৩২)।

চকরিয়া থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুই ডাকাতের বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। নতুন করে অস্ত্র ও ডাকাতির প্রস্তুতি আইনে আরো দুটি মামলা করা হয়েছে।’

সীতাকুণ্ড : আবারও একই রাতে দুই বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মিয়াজীপাড়া ও অলিনগর গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে একদল দুর্ধর্ষ ডাকাত সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মিয়াজি পাড়া গ্রামের ইতালী প্রবাসী মো. ফারুকের বাড়িতে হানা দেয়। এরপরই ডাকাতরা হানা দেয় একই ইউনিয়নের অলিনগর গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. আলাউদ্দিনের ঘরে।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে সীতাকুণ্ড উপজেলায় ডাকাতি-চুরি বেড়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ডাকাতির ঘটনা ঘটছে বারৈয়াঢালা, সৈয়দপুর, মুরাদপুর ও বাড়বকুণ্ড এলাকায়। রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে গ্রামবাসী। পুলিশও ডিফেন্স টিম গঠনসহ নানান পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু ডাকাতি বন্ধ করা যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা