kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

টানেলের ভূমি অধিগ্রহণের চেক বিতরণ

‘ক্ষতিপূরণের জন্য দালাল ধরবেন না’

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের উপ-পরিচালক ড. অনুপম সাহা। তিনি বলেন, ‘এ প্রকল্পের ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদানের কাজ করছে জেলা প্রশাসন। আর ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকানা নির্বাচন বড়ই জরুরি। অধিকাংশ ভূমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা থাকায় ভূমির প্রকৃত মালিক নির্ধারণে দীর্ঘসূত্রতায় পড়েছেন। এতে ক্ষতিপূরণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কিন্তু এ প্রকল্পের কাজ কোনো অজুহাতে একদিনের জন্যও অপেক্ষা করার সময় নেই সরকারের।’

মঙ্গলবার আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে টানেলের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. অনুপম এসব বলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোবায়েরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মো. আমিরুল কায়সার ও আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইদুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বৈরাগ ইউপি চেয়ারম্যান মো. সোলাইমান, চাতরী ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াছিন হিরু, বারশত ইউপি চেয়ারম্যান এম এ কাইয়ুম শাহ, রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান জানে আলম ও এনজিও প্রতিনিধি সুনীল বড়ুয়া।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মো. আমিরুল কায়সার বলেন, ‘ভূমির ক্ষতিপূরণ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ ওঠলেও আমি মনে করি এর জন্য জেলা প্রশাসন দায়ী নয়। কারণ স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা সচেতন নন। তাঁরা দালালদের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণের কার্যক্রম চালান। এতেই উল্টো তাঁরা হয়রানির শিকার হন।’

‘আমি প্রকাশ্যে ঘোষণা করছি কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দালালদের কাছে যাবেন না। কোনো কাজেই কাউকে টাকা দেবেন না। কেউ হয়রানি করলে আমাকে সরাসরি জানান। আর টাকা চাইলে তাদের ধরিয়ে দিন।’-যোগ করেন তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা