kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

খাগড়াছড়িতে সাতজন দগ্ধ

‘গ্যাস চুরির কারণেই সিলিন্ডার বিস্ফোরণ’

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘গ্যাস চুরির কারণেই সিলিন্ডার বিস্ফোরণ’

খাগড়াছড়ির খবংপুড়িয়া গ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৭ জন দগ্ধ হওয়ার ঘটনা কোনো স্বাভাবিক দুর্ঘটনা ছিল না বলে মনে করছে বিস্ফোরক পরিদপ্তরের বিশেষ প্রতিনিধি দল। চট্টগ্রাম থেকে আসা বিস্ফোরক দলের সদস্যরা বুধবার সারাদিন ঘটনাস্থল এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন আশঙ্কার কথা জানান। মঙ্গলবার ভোরে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম বিস্ফোরক পরিদপ্তরের পরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন। তাঁর সাথে ছিলেন চট্টগ্রাম বিস্ফোরক পরিদপ্তরের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক মুহাম্মদ মেহেদী ইসলাম খান এবং খাগড়াছড়ি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বায়েছুল ইসলাম।

প্রতিনিধি দলের প্রধান মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘এটি কোনো সাধারণ বিস্ফোরণের ঘটনা নয়। মূলতঃ গ্যাস চুরি সংক্রান্ত ঘটনা। বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস সরবরাহ করার সময় ঘরে গ্যাস জমে গিয়েছিল। তখন বিদ্যুতের সুইচ দেওয়ার সময় শর্ট সার্কিট হয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটে।’

তিনি জানান, মূলতঃ গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলার ক্যান্টন চাকমা। তাঁর শুধু গ্যাস সিলিন্ডার মজুত এবং বিক্রয়ের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু তিনি অবৈধ উপায়ে অধিক

মুনাফার জন্য বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস রিফিল করতে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সাহাদাত হোসেন টিটো জানান, তদন্ত কমিটি রবিবার নাগাদ সুপারিশসহ তদন্তের রিপোর্ট পাঠাবেন। তদন্তের সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ভোরে খাগড়াছড়ি সদরের খবংপুড়িয়া গ্রামে একটি ডিলারের গুদামে গ্যাস বিস্ফোরণে ৭ জন দগ্ধ হয়। তাঁদের ৩ জন খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালে এবং ৪ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহত ৭ দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন, ভূবন বিকাশ চাকমা (৫০), আব্দুল হামিদ (২৩), মো. জমির (২২), মাহমুদ উল্লা (২৬), নিউটন চাকমা (২৫), স্বামী মহিরঞ্জন চাকমা (৪৬) ও স্ত্রী মিনতি চাকমা (৩৬)।

ওই এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানি বলেন, ‘কয়েকদিন ধরে গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। বিষয়টি দোকান মালিককে অবহিত করা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

পুলিশ জানিয়েছে, গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানটির মালিক দক্ষিণ খবংপুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ক্যান্টন চাকমা। তিনি বিএম এনার্জি বিডি লিমিটেডের পরিবেশক হিসেবে গ্যাস সিলিন্ডার বিপণনের সাথে জড়িত। তবে ক্যান্টন চাকমার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা