kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিশিষ্টজনদের অভিমত

বইমেলাকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে

মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বইমেলাকে স্থায়ী রূপ দিতে হবে

চট্টগ্রাম নগরের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম চত্বরে ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে চলছে অমর একুশে বইমেলা। মেলায় প্রতিদিনই শিশুদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। ছবি : রবি শংকর

অমর একুশে বইমেলায় চট্টগ্রামের খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের পরিচিতি তুলে ধরার ব্যবস্থা থাকলে নতুন প্রজন্ম পূর্বসূরিদের সম্পর্কে জানার সুযোগ পেত। আর এতে বাইরের মানুষ যাঁরা এখানে বসবাস করেন কিংবা মেলায় আসছেন তাঁরাও জানতে পারতেন এই অঞ্চলের কীর্তিমানদের কীর্তিগাথা। এ ছাড়া বইমেলায় চট্টগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে মেলা প্রাঙ্গণে বিশেষ কর্নার স্থাপন করা দরকার।

কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিশিষ্টজনেরা। মেলা প্রাঙ্গণে কথা হয় বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ডা. মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে। তিনি স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর চট্টগ্রামে এই প্রথম সমন্বিত বইমেলার উদ্যোগ, আয়োজন এবং সামগ্রিক পরিবেশের প্রশংসা করেন। এমন একটি সৃজনশীল কাজের জন্য সিটি মেয়রকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বইমেলাকে স্থায়ী রূপদানের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ব্যাপারে আয়োজক, মেলা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দরকার।’

বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও কলামলেখক সাখাওয়াত হোসেন মজনু বলেন, ‘চট্টগ্রামের বীরত্বগাথা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জরুরি। এ জন্য আগামীতে মেলা প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম কর্নার রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।’

একুশে বইমেলা উপলক্ষে চট্টগ্রামের প্রকাশনা সংস্থাগুলোকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মেলায় বিশেষ ব্যবস্থায় বাংলা একাডেমির একটি স্টল রাখা উচিত। কারণ বাংলা একাডেমির বিভিন্ন ধরনের প্রচুর গবেষণাধর্মী বই রয়েছে। ঢাকায় গিয়ে সব বই সংগ্রহ করা সম্ভব নয়।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. গাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘মেলার পরিবেশ বেশ মনোমুগ্ধকর।’

বান্দরবান থেকে বইমেলায় এসেছেন বান্দরবান রাজপরিবারের সদস্য ও মানবাধিকারকর্মী ডনাইপ্রু নেলী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বান্দরবান উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুচিত্রা তঞ্চঙ্গ্যা। দুজনই মেলার পরিসর, দর্শকদের উপস্থিতি বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের সমাগম দেখে অভিভূত।

অতীতের সব বইমেলাকে ছাপিয়ে এবারের মেলার সফল আয়োজনের পেছনে চট্টগ্রামের সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সিটি মেয়রের সার্বিক সহায়তার কথা জানান বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক দেওয়ান মাকসুদ।

তিনি বলেন, ‘বইমেলায় চট্টগ্রামের খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের পরিচিতি তুলে ধরতে তাঁদের নামে কর্নার করলে বর্তমান প্রজন্ম পূর্বসূরিদের সম্পর্কে জানার সুযোগ পেত।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা