kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক নির্মাণকাজ উদ্বোধন

চকরিয়াবাসীর মুখে হাসি

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অবশেষে দুঃখ ঘোচতে যাচ্ছে চকরিয়া পৌরসভা ও ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের। দুই কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পৌরসভার ভাঙারমুখ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ব্রজেন্দ্র মহাজনের বাড়ি পর্যন্ত সড়কটির দুই কিলোমিটার নতুন করে বিটুমিনাস কার্পেটিং দিয়ে তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এতে হাসি ফুটেছে সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী মানুষের।

বুধবার সকালে সড়কের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন কক্সবাজার-১ আসনের এমপি জাফর আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুর রশীদ দুলাল, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক খলিল উল্লাহ চৌধুরী, পৌরসভার কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

চকরিয়া পৌরসভার সচিব মাস-উদ মোর্শেদ জানান, বিশ্বব্যাংকের সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প এমজিএসপির অধীনে মাতামুহুরী নদী তীরবর্তী ভাঙারমুখ থেকে ব্রজেন্দ্র মহাজনের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কটি নির্মাণ করা হবে।

তিনি জানান, বিটুমিনাস কার্পেটিং দিয়ে সড়কের উপরিভাগ এবং নদীর ভাঙন থেকে সড়কটি রক্ষায় আরসিসি গাইডওয়াল নির্মাণ করা হবে।

পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম জানান, মাতামুহুরী নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষদের যাতায়াত নিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল পৌরসভার ভাঙারমুখ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শেষমাথা পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়ক এবড়ো-খেবড়ো থাকায়। প্রতিবছর মাতামুহুরী নদীর ভাঙনসহ বর্ষা মৌসুমে সড়কটি একেবারে চলাচল অনুপযোগী থাকায় এখানকার মানুষের যেন দুর্ভোগের সীমা ছিল না। অবশেষে সড়কটি নতুন করে নির্মিত হওয়ায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

চকরিয়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মৃনাল কান্তি ধর জানান, প্রায় দুই কিলোমিটারের এই সড়ক নির্মিত হবে সাড়ে ৪ মিটার প্রস্থে। এ ছাড়া মাতামুহুরী নদী তীরবর্তী অংশে থাকবে আরসিসি দিয়ে টেকসই গাইডওয়াল।

চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, ‘সড়কটি মূলত মাতামুহুরী নদী তীরের এক নম্বর গাইড বাঁধ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির দুরবস্থার কারণে মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি ছিল।’

স্থানীয় এমপি জাফর আলম বলেন, ‘চকরিয়া-পেকুয়ার কোনো এলাকা অবহেলিত থাকবে না। পর্যায়ক্রমে সকল সড়ক আধুনিকায়ন করে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা