kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সোনাগাজীতে কুকুরের উৎপাত

দুই দিনে নারী-শিশুসহ আহত ২০

ফেনী প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সোনাগাজীতে কুকুরের কামড়ে নারী-শিশুসহ দুদিনে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার চর চান্দিয়া, চর দরবেশ ও সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আহত মানুষ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চর চান্দিয়া ইউনিয়নের সওদাগর হাট, দক্ষিণ চর চান্দিয়া, চর দরবেশ ইউনিয়নের আদর্শ গ্রাম ও পশ্চিম চর দরবেশ, সদর ইউনিয়নের সুজাপুর, চর খোয়াজ এলাকা থেকে গত দুইদিনে কুকুরের কামড়ের অনেক রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে মো. মিনহাজুর রহমান (৫), মো. শাহীন (৪), মো. স্বপন (৬), নাছিমা খাতুন (৪০), নুর ইসলাম (৫), আবুল কাসেম (৪২), সাইফুল ইসলাম (১৭), বিবি খতিজা (২৭), ইব্রাহীম (২১), রহিম উল্যাহ (২২), জসিম উদ্দিন (৩৫), জামাল উদ্দিনসহ (৬০) কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫ থেকে ১৬ জন। বাকিরা স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার উপজেলার চর চান্দিয়া ইউনিয়নের সওদাগরহাট এলাকার আহত শিশু মিনহাজুর রহমানের মা হাসিনা খাতুন জানান, সকালে তিনি বাড়ির পাশে একটি জমিতে ধান শুকাতে যান। মিনহাজ তার পাশে বসে খেলছিল। হঠাৎ একটি কুকুর এসে তার বাঁ হাতে কামড় দিয়ে টেনে তাকে মাটিতে ফেলে দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান তিনি।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওবায়দুল হক বলেন, ‘গত কয়েকদিনে কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ১৪ থেকে ১৫ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। অনেকে স্থানীয় ক্লিনিক থেকেও চিকিৎসা নিয়েছেন বলে শুনেছেন।’ তিনি জানান, বেশ কয়েকজন রোগীর শরীরের একাধিক স্থানে কুকুরের কামড়ের চিহ্ন রয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. নুরুল আলম বলেন, ‘কুকুরের কামড়ে আহত রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও টিকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহতদেরকে নিয়মিত ওষুধ ও টিকা চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, ‘পাগলা কুকুর নিধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পৌর কর্তৃপক্ষ।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা