kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

রামগড় হানাদারমুক্ত দিবস উদযাপন

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাগড়াছড়ির রামগড় হানাদারমুক্ত দিবস গতকাল শনিবার নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন রামগড় পর্যটন পার্কে স্থাপিত বিজয় ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভার আয়োজন করে। সকাল ১০টায় শোভাযাত্রা পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয় ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।

এর পর রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে ইসরাতের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার বীর রণবিক্রম ত্রিপুরা, জেলা আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম আলিম উল্ল্যাহ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল কাদের, মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার মো. মোস্তফা, সাবেক কমান্ডার মফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা বাবুল কান্তি মজুমদার, উপজেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আলম আলমগীর, প্যানেল মেয়র মো. আহসান উল্ল্যাহ প্রমুখ।

বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবুল মজুমদার জানান, মুক্তিযুদ্ধের প্রায় শেষের দিকে ৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর গেরিলা আক্রমণ ও ভারতীয় যুদ্ধ বিমান থেকে রামগড়ের শত্রু ঘাঁটিতে প্রবলভাবে বোমাবর্ষণ হলে হানাদাররা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রামগড় ছাড়তে শুরু করে।

৮ ডিসেম্বর পুরোপুরি শত্রুমুক্ত হয় রামগড়। ওই সময় আওয়ামী লীগের নেতা রামগড় মহকুমাকেন্দ্রিক মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠক মরহুম সুলতান আহমেদ মুক্তিপাগল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় শরণার্থী শিবির সাব্রুম মহকুমার কাঁঠালছড়ি থেকে বাংলাদেশের পতাকা রামগড় এনে উত্তোলন করেন।

মুক্তিযোদ্ধা বাবুল মজুমদার ও মিন্টু চক্রবর্তীর সঙ্গে আলাপচারিতায় জানা যায়, স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই উত্তাল দিনগুলোতে রামগড়ের মানুষ গড়ে তুলেছিল সংগ্রাম কমিটি। রামগড় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ১৯৭১-এর ১৬ মার্চ রামগড় বাজারের বনবীথি বোর্ডিংয়ে এ কমিটি গঠনের জন্য জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। মরহুম কাজী রুহুল আমীনকে আহ্বায়ক ও প্রয়াত সাংবাদিক সুবোধ বিকাশ ত্রিপুরাকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়। এ কমিটির অন্য সদস্যদের কয়েকজন হলেন সুরেশ মোহন ত্রিপুরা (অবসরপ্রাপ্ত জেলা তথ্য কর্মকর্তা), বনবীথির মালিক মংলাগ্য মারমা, আজিজুর রহমান, যতীন্দ্র কুমার নাথ, কংচাই চৌধুরী (হেডম্যান)। কমিটি গঠনের পর পরই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড শুরু করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা