kalerkantho

সাগরে বাঁশখালীর জেলে খুন!

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাগরে বাঁশখালীর আহম্মদ হোসেন প্রকাশ কালু মাঝি (৩৭) নামে এক জেলে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। তবে ওই মাছধরা নৌকার মালিকের ভাই এ ঘটনায় কালু মাঝি নিখোঁজ বলে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

জানা গেছে, বাঁশখালীর শেখেরখীল ইউনিয়নের মো. ফরিদ আহম্মদের ‘আহম্মদীয়া’ নামক ৭৪ অশ্বক্ষমতা সম্পন্ন মাছধরা নৌকা নিয়ে গভীর সাগরে ১০ দিন আগে ২৮ জেলে মাছ ধরতে যান। ওই নৌকার মাঝি ছিলেন আহম্মদ হোসেন। নৌকার মালিকও সঙ্গে ছিলেন। অভিযোগ ওঠেছে, কালু মাঝির সঙ্গে নৌকার মালিকের টাকা নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে তাঁকে ধাক্কা মেরে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। নৌকার মালিক অন্য জেলেদের নিয়ে গত বৃহস্পতিবার এলাকায় ফিরে খবর প্রচার করেন, নিম্নচাপের ঝড়ো হাওয়ায় নৌকা থেকে কালু মাঝি ছিটকে পড়ে মারা গেছেন। বর্তমানে নৌকার মালিক পলাতক। কালু মাঝি আনোয়ারা উপজেলার গহিরা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের মৃত মাহবুব আলীর ছেলে। তিনি ১২ বছর ধরে বাঁশখালীর শীলকূপের নুর মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকেন।

কালু মাঝির স্ত্রী আয়েশা বেগম বলেন, ‘স্বামীর কি হয়েছে জানি না। কেউ বলছে হত্যা করেছে, আবার কেউ বলছে সাগরে ডুবে মরেছে। অবুঝ চার কন্যাশিশু নিয়ে খুব কষ্টে আছি।’

মুঠোফোনে নৌকার মালিক মো. ফরিদ আহম্মদ বলেন, ‘কালু মাঝি নিম্নচাপের ঝড়ো হাওয়ায় নৌকা থেকে পড়ে গিয়ে মারা গেছেন। তাঁকে কেউ হত্যা করেনি। ওই দিন নৌকায় আমিও ছিলাম। আর আমার সাথে টাকা নিয়ে কোনো বিরোধ ছিল না।’

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘কালু মাঝি সাগরে নিখোঁজ হয়েছেন বলে নৌকার মালিকের ভাই জিডি করেছেন।’

তিনি জানান, ওই জিডির প্রেক্ষিতে তদন্ত করা হচ্ছে। মারা গেছে এ খবর কেউ বলেনি। তাছাড়া গভীর সাগরের বিষয়টি তদন্ত ছাড়া তো সঠিক রহস্য বের হবে না।’

মন্তব্য