kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমা খুন

খাগড়াছড়িতে সড়ক অবরোধ আজ

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি   

৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খাগড়াছড়িতে সড়ক অবরোধ আজ

নেতাকর্মী ও ভক্ত-স্বজনরা গতকাল শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমার মরদেহ শ্মশানে নিয়ে যায়। ছবি : কালের কণ্ঠ

ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমা হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি জেলায় আজ শনিবার সকাল-সন্ধ্যা সড়ক অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার বটতলী এলাকার পারিবারিক শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

মিঠুন চাকমার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গতকাল শহরজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরাও টহল দেন। শহীদ কাদের সড়কে যানবাহনে কড়াকড়ি আরোপ করে পুলিশ।

এদিকে শেষকৃত্যের আগে শোকসভার আয়োজন করা হয়। এতে বক্তব্য দেন ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম শাহাদাত লেনিন, ইউপিডিএফের বান্দরবানের সংগঠক ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অংগ্য মারমা প্রমুখ।

ইউপিডিএফের সংগঠক মাইকেল চাকমা অভিযোগ করে জানান, মিঠুন চাকমার মরদেহ ইউপিডিএফ কার্যালয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসনের বাধায় সেটি সম্ভব হয়নি। সেখানে ‘মুখোশ বাহিনীর হাতে নিহত মিঠুন চাকমার স্মরণে সংহতি সমাবেশ’ আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া প্রশাসনের বাধার কারণে শত শত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিঠুনের শেষকৃত্যে অংশ নিতে পারেনি।

গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অংগ্য মারমা বলেন, ‘ইউপিডিএফ নেতা মিঠুন চাকমা হত্যার প্রতিবাদ এবং হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার জেলাজুড়ে সকাল-সন্ধ্যা সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।’

প্রসঙ্গত, গত বুধবার শহরের পানখাইয়াপাড়ার স্লুইস গেট এলাকায় মিঠুনকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ ‘ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক’কে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ।

এদিকে ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফের (প্রসিত খীসা) অন্তর্দ্বন্দ্বে মিঠুন চাকমা নিহত হয়েছেন। নতুন সংগঠনের মিডিয়া সমন্বয়ক মিটন চাকমা এ বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মিঠুন চাকমা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিককে দায়ী করে বিবৃতি, বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এমন প্রচারণার নিন্দা জানিয়ে ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা