kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

অলরাউন্ডার দিব্যা

অভিনেত্রী, প্রযোজক, পরিচালক—এ রকম অনেক পরিচয়েই চেনানো যায় দিব্যা খোসলা কুমারকে। এত পরিচয়ের পরও খানিকটা আড়ালেই থেকে যান তিনি। আজ মুক্তি পাবে ‘সত্যমেব জয়তে ২’, ছবিতে জন আব্রাহামের সঙ্গে দেখা যাবে তাঁকে। লিখেছেন লতিফুল হক

২৫ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অলরাউন্ডার দিব্যা

মাত্র কুড়ি বছর বয়সে মুম্বাই হাজির হয়েছিলেন অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়েই। ২০০৪ সালে তেলেগু ছবি ‘লাভ টুডে’ দিয়ে অভিষেক। একই বছর বলিউডে পা রাখেন ‘আব তুমহারে হাওয়ালে ওয়াতান সাথিও’ দিয়ে। দেড় যুগ আগে জোড়া ছবি দিয়ে শুরু, কিন্তু কী আশ্চর্য ব্যাপার, পরে আর অভিনয়েই দেখা যায়নি তাঁকে! মূল কারণ ২০০৫ সালে প্রখ্যাত প্রযোজক ভূষণ কুমারের সঙ্গে বিয়ে। বিয়ের পর অভিনয়ের চেয়ে ক্যামেরার পেছনেই কাজে মনোযোগী হন দিব্যা। তবে সেটাও বিয়ের এক দশক পর। ২০১৪ সালে পরিচালনা করেন ‘ইয়ারিয়া’। দুই বছর পর মুক্তি পায় তাঁর পরিচালিত দ্বিতীয় ছবি ‘সনম রে’। এর মধ্যে ‘রয়’ দিয়ে প্রযোজক দিব্যার অভিষেক। এরপর ‘বাটলা হাউস’, ‘মারজাওয়া’, ‘লুডো’সহ বেশ কযেকটি ছবির সহপ্রযোজক ছিলেন। দেখা যায় কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতেও। তখনই তাঁর অভিনয়ে ফেরা নিয়ে আলোচনা হয়। তখন দিব্যা বলেছিলেন, দ্রুতই ফিরবেন। অবশেষে ‘সত্যমেব জয়তে ২’ দিয়ে অভিনয়ে ফিরলেন।

দিব্যা অবশ্য এত দিন পর ফেরাটাকে বিশেষভাবে দেখতে চান না, ‘অভিনয়ে না থাকলেও আমি কিন্তু কাজের মধ্যেই ছিলাম। ক্যামেরার সামনে না হোক, পেছনে ঠিকই কাজ করেছি। মিউজিক ভিডিও, প্রযোজনা, পরিচালনাসহ নানা ব্যস্ততা ছিল। পুরো সময়টাতে অনেক কিছু শিখেছি। সিনেমাটোগ্রাফি, পরিচালনা নিয়ে পড়াশোনা করেছি। তবে ভক্তরা আমাকে ক্যামেরার সামনে দেখতে মুখিয়ে ছিল, বুঝতে পারতাম। ঠিক করলাম, আর দেরি করা ঠিক হবে না। তবে মহামারির কারণে অভিনয়ে ফেরা কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে।’

অভিনেত্রী, প্রযোজক, পরিচালক নয়—নিজেকে সৃজনশীল শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতে চান দিব্যা। ‘আমি পরিচালক সত্তাকে পেছনে ফেলে এই ছবির [সত্যমেব জয়তে] সেটে গিয়েছিলাম অভিনেত্রী হিসেবেই। তবে এটা মানতেই হবে, অভিনয়ের চেয়ে পরিচালনা অনেক কঠিন। নিজেকে পরিপূর্ণ শিল্পী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সেই পথ অনেক দূরের, কিন্তু নিজের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

‘সত্যমেব জয়তে ২’-তে রাজনীতিবিদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিব্যা। যে চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য তিনি কৃতজ্ঞ সুচিত্রা সেনের প্রতি! “ছবিতে আমি শুধু জনের [জন আব্রাহাম] প্রেমিকা নই, রাজনীতিবিদও। শারীরিক প্রস্তুতি হিসেবে আমার ওজন বাড়াতে হয়েছে, এ ছাড়া সঞ্জীব কুমার-সুচিত্রা সেনের ‘আঁধি’ ভীষণ সাহায্য করেছে”, বলেন দিব্যা। ১৯৭৫ সালে মুক্তি পাওয়া গুলজারের ছবিটি তৈরি হয়েছিল সাবেক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জীবন অবলম্বনে।



সাতদিনের সেরা