kalerkantho

শুক্রবার ।  ২০ মে ২০২২ । ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৮ শাওয়াল ১৪৪৩  

আমি কাঁদলাম কাঁদলেন আপুও

ছবির দ্বিতীয় প্রধান নারী চরিত্রটি করেছেন আফিয়া তাবাসসুম বর্ণ। নিজের অভিষেক ছবি নিয়ে বললেন এই নবাগতা

১১ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমি কাঁদলাম কাঁদলেন আপুও

ছবিতে আমার চরিত্রের নাম অ্যানি। চরিত্রটার জন্য আমাকে পছন্দ করেন ছবির অন্যতম অভিনেতা ও কাস্টিং ডিরেক্টর ইয়াসির আল হক ভাইয়া। উনি আমার অনেক আগের একটা স্টিল ছবি দেখেছিলেন। আমি তখন আর্বোভাইরাস ব্যান্ডের একটা মিউজিক ভিডিওর কাজ করছি উত্তরাতে।

বিজ্ঞাপন

উনি সরাসরি সেটে এলেন দেখা করার জন্য। কিন্তু আমি তো অভিনয় পারি না। মডেলিং করেছি দেশের অনেক বড় বড় ব্র্যান্ডের, অভিনয় করা হয়নি। আমাকে অভিনয় শেখানোর দায়িত্বটা নেন সাদ ভাইয়া। সবার আগে লুক টেস্ট নেওয়া হয়। দুই মাস রিহার্সাল করার পর জানানো হয় ছবিটা আমি করছি।

অ্যানি চরিত্রটা কতটা সমসাময়িক সেটা বলতে গেলে ছবির গল্প বলতে হবে। এ মুহূর্তে সেটা পারব না। শুধু মেডিক্যাল কলেজেই নয়, আমাদের আশপাশে বহু অ্যানি আছে। এটা আমার জীবনের প্রথম সিনেমা। আমি জানতাম না সিনেমার সেট কেমন হয়। সে কারণে অবশ্যই নতুন ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। আমাদের সেটে কখনো উঁচু গলায় কাউকে কথা বলতে বা রাগতে দেখিনি। প্রডাকশন বয় কিংবা ডিরেক্টর—সবাই একসঙ্গে খেতে বসতাম।

একটা দৃশ্য আছে, আমি শুধু বাঁধন আপুকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকব, কোনো সংলাপ নেই। কয়েক সেকেন্ডের দৃশ্যটা করতে আমাদের দুই ঘণ্টারও বেশি লাগল। শেষ করার পর সাদ ভাইয়া বলল, কোনো কাজকে আর ছোট বলবা না।

আরেকটা দৃশ্যে বাঁধন আপু আমাকে চড় দেবেন। পেছনে ৫০-৬০ জন মানুষ। আপু বললেন, ‘বাবু আমি তোমাকে যেভাবে স্নেহ করি, ওটা মাথায় থাকলে চড় মারতে পারব না। আমি মাথায় নিচ্ছি অন্য কাউকে চড় মারব। ’ উনি ক্যারেক্টারে ঢুকেই আমাকে এত জোরে চড় মেরেছেন! অত বড় রুমের একদম পেছন পর্যন্ত শব্দ চলে গেল। অনেকেই ভয় পেয়ে গেছেন। শটের পর আমি কাঁদলাম, কাঁদলেন আপুও।



সাতদিনের সেরা