kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

চিত্রগ্রহণের গল্প

পুরো ছবি হয়েছে আমার শোল্ডারেই

তুহিন তমিজুল, চিত্রগ্রাহক, রেহানা মরিয়ম নূর

১১ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুরো ছবি হয়েছে আমার শোল্ডারেই

সাদ আর আমার বন্ধুত্ব এক যুগের। এ পর্যন্ত সাদ যত প্রজেক্ট করেছে, সবখানেই চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে ছিলাম আমি। এ থেকেই বোঝা যায় সাদের সঙ্গে আমার বোঝাপড়া কতটা স্ট্রং।

‘রেহানা মরিয়ম নূর’-এর গল্পটা এর চরিত্রগুলোই এগিয়ে নিয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

চরিত্রের পেছনে আমাকেও ক্যামেরা নিয়ে ছুটতে হয়েছে। ধরাবাঁধা নিয়ম মানা হয়নি। আমার শোল্ডারে ক্যামেরা রেখেই পুরো ছবিটা শুট করেছি, তাও একটা ফিফটি লেন্স দিয়ে। শুটিংয়ের আগে অনেক দিনের রিহার্সাল থাকায় এটা সম্ভব হয়েছে। কাঁধে ক্যামেরা রেখে, দুই হাতে ব্যালান্স রেখে ক্যামেরাকে ফলো করে গল্প বলাটা কঠিনই। আমি টানা শুট করতেও পারিনি। চার-পাঁচ দিন পর পর বিশ্রাম নিতে হয়েছে।

দুই মাস ছিলাম কুমিল্লার ইস্টার্ন মেডিক্যাল কলেজে। শুটিং হয়েছে গাইনি ওয়ার্ডের পাশে। প্রতিদিন নতুন মানুষজন আসছে, বাচ্চা জন্ম নিচ্ছে, হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছে। এসবের মধ্যেই শুটিং। সাদের প্ল্যান ছিল দুই মাস শুটিং করবে। বাঁধন আপু ৯ মাসের বেশি রিহার্সাল করেছেন, যে কারণে ৩৪ দিনেই করতে পেরেছি। অনেক সময় নিজেকেই বলতাম ‘উফ আর পারছি না’। শুটিং শেষে সন্ধ্যার পর যখন শটগুলো দেখতাম তখন সব ক্লান্তি হাওয়া হয়ে যেত। এখন আমার ছবি নিয়ে কথা হচ্ছে দেশে-বিদেশে, সিনেমাটোগ্রাফির প্রশংসা হচ্ছে। এটার অনুভূতি আসলে বলে বোঝাতে পারব না।



সাতদিনের সেরা