kalerkantho

শনিবার । ৮ মাঘ ১৪২৮। ২২ জানুয়ারি ২০২২। ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

পরিচালকের কথা

একটা লোকেশনেই পুরো ছবি

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ

১১ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একটা লোকেশনেই পুরো ছবি

কানের লাল গালিচায় সাদ ও বাঁধন

মধ্যবিত্ত পরিবারে অনেক ভাই-বোনের মধ্যে আমি বেড়ে উঠেছি। আমার চিন্তা-ভাবনায় তাদের অনেক প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে আমার বড় তিন বোনের। রেহানাকে নিয়ে লিখতে শুরু করি সম্ভবত সে রকম একটা জায়গা থেকেই।

বিজ্ঞাপন

একটু একটু করে রেহানাকে নিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করতে শুরু করি। তার ভেতরের ক্ষোভ আর অবিশ্বাস নিয়ে ভাবি। তার ভেতরের কমপ্লেক্সিটি এবং কনট্রাডিকটরি আচরণ বোঝার চেষ্টা করি। রেহানা কী চায় এবং কেন চায়—এটা নিয়ে লিখতে লিখতে ক্রমে আরো প্রশ্ন বের হয়ে আসতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ওই প্রশ্নগুলোই আমাকে ইন্সপায়ার করে ছবিটা করতে।

এই পৃথিবীতে রেহানাদের আশ্রয় ঠিক কোথায় তা নিশ্চিত করে বলতে পারব না। তবে রেহানাদের আপনি সবখানেই খুঁজে পাবেন, তারা তাদের অবস্থান খোঁজার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং বেশির ভাগ সময়ই ব্যর্থ হচ্ছে।

‘রেহানা মরিয়ম নূর’ হলো চেম্বার ড্রামা। একটা লোকেশনেই পুরো ছবি শেষ। শুটিংয়ের আগে লম্বা একটা সময় ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি। নির্দিষ্ট একটা লোকেশনে টানা পাঁচ সপ্তাহ শুটিং করার অভিজ্ঞতা খুবই কষ্টকর। দিনের পর দিন একই লোকেশনে এক শরও বেশি দৃশ্যের ব্লকিং ঠিক করে শুটিং করা খুব কঠিন। শুটিংয়ে আমি নিজের ওপর এবং টিমের জন্য কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করি। সেসব পুরোপুরি মেনে কাজ করাও কঠিন। যেমন—আমরা পুরো ছবি শুট করেছি একটা মাত্র ৫০ মিলিমিটার লেন্সে। শুটিংয়ের প্রতিটি দিনই আমার কাছে মনে হতো যেন গণিতের পরীক্ষা দিচ্ছি।

 

[পরিচালকের একাধিক সাক্ষাৎকার থেকে সংকলিত]



সাতদিনের সেরা