kalerkantho

বুধবার । ১১ কার্তিক ১৪২৮। ২৭ অক্টোবর ২০২১। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

রুক্মিণী বললেন, ধীরে ধীরে সব হবে

১৪ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রুক্মিণী বললেন, ধীরে ধীরে সব হবে

আগামীকাল ডিজনি প্লাস হটস্টারে মুক্তি পাবে ‘সনক’। অ্যাকশন থ্রিলার ছবিটি দিয়েই বলিউডে অভিষেক হচ্ছে ওপার বাংলার অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্রর। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

পাঁচ ফুট ৯ ইঞ্চি উচ্চতা সঙ্গে দারুণ অভিনয়—অনেক ভক্তই মনে করতেন বলিউডে গেলে দারুণ করবেন রুক্মিণী। কিন্তু ভক্তরা মনে করলেই তো হবে না, ডাক আসতে হবে প্রযোজক-পরিচালকদের কাছ থেকে। অবশেষে তিনি ডাক পেলেন। অ্যাকশন ছবির জনপ্রিয় অভিনেতা বিদ্যুত জামওয়ালের সঙ্গে ‘সনক’ ছবির প্রধান অভিনেত্রী হিসেবেই! পূজার মৌসুমে ছবিটি কাল সরাসরি মুক্তি পাবে ডিজনি প্লাস হটস্টারে।

তো কেমন হলো রুক্মিণীর মুম্বাই অভিজ্ঞতা? ‘খুবই ভালো। ওরা অনেক বেশি পেশাদার। আমি মুম্বাইতে অনেক দিন ছিলাম, হিন্দিটা ভালোই জানি। সেটাও খুব কাজে দিয়েছে। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা—টানা ১২ ঘণ্টা শুটিং হতো। ওদের নিখুঁত পরিকল্পনা, আন্তরিকতা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। কভিডের কারণে শুটিংয়ে নানা বিধি-নিষেধ ছিল, বিরক্তিকর বলতে এটুকুই,’ বললেন রুক্মিণী।

২০১৭ সালে ‘চ্যাম্প’ দিয়ে টালিগঞ্জে অভিষেক।  অভিনেতা ও সংসদ সদস্য দেবের কথিত প্রেমিকা তিনি। বাস্তব জীবনের প্রেম সম্পর্কে মুখ খোলেন না বললেই চলে। তবে চার বছরের ক্যারিয়ারে ছয় ছবির পাঁচটিই দেবের সঙ্গে। এটা কি আলাদা কোনো ইঙ্গিত দেয়? “দেব আমার খুব ভালো বন্ধু, এটা তো প্রথম থেকেই বলে আসছি। কাকতালীয়ভাবে ওর সঙ্গে অনেক ছবি করা হয়েছে এই যা। অনেকে তো বলেছিল, দেব ছাড়া কেউ নাকি আমাকে ছবিতে নেবে না। জিতের প্রযোজনা সংস্থা থেকে দুইবার প্রস্তাব পাই, কিন্তু শিডিউল না মেলায় করতে পারিনি। এটা নিয়ে লোকে কথা বলেছে। পরে কিন্তু আবীর চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ‘সুইজারল্যান্ড’ করেছি, বলিউডে করলাম বিদ্যুতের সঙ্গে। এখন সবার মুখ বন্ধ। সামনে আরো অনেক অভিনেতার সঙ্গেই পর্দায় দেখা যাবে আমাকে,” বলেন রুক্মিণী।

‘সনক’-এর ট্রেলার ও গান মুক্তির পর বেশ প্রশংসা পাচ্ছেন। হয়তো এসব প্রশংসা বলিউডে তাঁকে আরো কাজের সুযোগ করে দেবে। এ ছাড়া হাতে আছে দেবের সঙ্গে ‘কিশমিশ’। ‘সুইজারল্যান্ড’-এর আরো দুটি সিক্যুয়ালও দ্রুতই শুরু হবে। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারের এই পর্যায়টা দারুণ উপভোগ করছেন। তবে প্রথম হিন্দি ছবি ওটিটির বদলে হলে মুক্তি পেলে কি আরো খুশি হতেন? রুক্মিণী বলছেন, ‘দেখুন ওটিটি তো এখন বাস্তবতা, এটাকে স্বাগত জানাতে হবে। ভারতের সব রাজ্যের প্রেক্ষাগৃহ এখনো খোলেনি। যেখানে খুলেছে সেখানেও সব বয়সের মানুষ হলে আসছেন না। এর চাইতে তো ওটিটি ভালো, বাড়িতে বসে দুনিয়ার যেকোনো প্রান্ত থেকে চাইলেই উপভোগ করতে পারবেন।’

‘সনক’-এ রুক্মিণীকে দেখা গেছে রোমান্টিক অবতারে, অ্যাকশন যা করার বিদ্যুতই করেছেন। তবে অভিনেত্রী বলছেন, সব ধরনেরই চরিত্র করতে তিনি প্রস্তুত, “আমি ‘পাসওয়ার্ড’-এ যে চরিত্র করেছি সেটা গেল এক দশকে কোনো বাংলা ছবির হিরোইন করেছে বলে মনে হয় না। বাইক চালিয়েছি, সব স্টান্ট নিজেই করেছি। হিন্দিতে তো কেবল শুরু, ধীরে ধীরে সব হবে।”



সাতদিনের সেরা