kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

তাঁদের অন্য লড়াই

১৩ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



তাঁদের অন্য লড়াই

১২ আগস্ট নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ‘গুঞ্জন সাক্সেনা—দ্য কারগিল গার্ল’। ১৪ আগস্ট ডিজনি প্লাস হটস্টারে আসবে ‘খুদা হাফেজ’। দুই ছবিতে আছেন যথাক্রমে জাহ্নবী কাপুরশিবালিকা ওবেরয়। একজন লড়ছেন তারকাকন্যার তকমা সরিয়ে অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে, অন্যজন বলিউডে জায়গা পাকা করতে। দুই অভিনেত্রীর লড়াই নিয়ে লিখেছেন মামুনুর রশিদ

 

হালে বলিউডে স্বজনপ্রীতি বিতর্ক এতটাই মাথাচাড়া দিয়েছে যে নেটফ্লিক্সের মতো স্ট্রিমিং জায়ান্টও প্রচারণা চালাতে ভয় পাচ্ছে! ১২ আগস্ট ‘গুঞ্জন সাক্সেনা—দ্য কারগিল গার্ল’ মুক্তি পেলেও ছবিটি নিয়ে কার্যত নীরব ছিল তারা। মুক্তির পরে কিছু প্রচারণা চালালেও সেখানে জাহ্নবী কাপুরের ছবি ব্যবহার করা হয়নি। দেওয়া হয়েছে যার বায়োপিক সেই আসল গুঞ্জন সাক্সেনার ছবি! তবে এতেও শেষ রক্ষা হয়নি, শ্রীদেবীকন্যা জাহ্নবীকে শুনতে হয়েছে রাজ্যের গালাগাল। সমালোচকরা অবশ্য মুক্তির পর প্রশংসা করেছেন ছবিটির। সাধারণ এক ভারতীয় নারীর নানা বাধাবিপত্তি পেরিয়ে দেশের প্রথম যুদ্ধবিমানের পাইলট হওয়ার গল্প বেশ উপভোগ্য বলে রায় দিয়েছেন তাঁরা। জাহ্নবীর অভিনয় অসাধারণ না হলেও ‘চলে’ বলে মনে করেন সমালোচক অনুপমা চোপড়া। তবে এ ছবির ইতিবাচক সমালোচনাকারীদেরও পড়তে হচ্ছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের মুখে। যা খুবই হতাশার, মত অনুপমার, “করণ জোহর প্রযোজক, জাহ্নবী আছেন অভিনয়ে। এ ছাড়া কিন্তু সবাই বাইরের। পংকজ ত্রিপাঠির মতো অভিনেতা আছেন। পরিচালক শরণ শর্মার প্রথম ছবি। এটি নির্মাণ করতে কত কষ্ট করতে হয়েছে তাঁকে। অন্যতম চিত্রনাট্যকার নিখিল মালহোত্রা আগে ‘দঙ্গল’, ‘পাঙ্গা’তে দারুণভাবে নারীর গল্প বলেছেন। তাঁরা সবাই তথাকথিত বহিরাগত। কেবল জাহ্নবী আর করণের কারণে জোর করে ছবিকে খারাপ বললে এদের সবার শ্রমকে অগ্রাহ্য করা হয়।”

তবে জাহ্নবী মনে করেন সব সমস্যার সমাধান তাঁর হাতেই, ‘আমি অসাধারণ পারফরম না করা পর্যন্ত এসব চলতেই থাকবে। মা-বাবার কারণে আমি সহজে সুযোগ পেয়েছি, এটা আমি কখনো অস্বীকার করিনি। এখন নিজেকে অভিনেত্রী হিসেবে পরের ধাপে নিয়ে যেতে হবে।’

‘খুদা হাফেজ’ অভিনেত্রী শিবালিকা ওবেরয়ের চ্যালেঞ্জ আবার অন্য। গেল বছর ‘ইয়ে সালি আশিকি’ দিয়ে অভিষেক বলিউডের এই বহিরাগতার। প্রথম ছবি দিয়ে প্রশংসা পেয়েছিলেন, সেরা নবাগতা মনোনীতও হয়েছিলেন ফিল্মফেয়ারে। এবার নিজের আসন পাকা করার পালা। মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা শিবালিকা মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে অভিনয়ের ওপর ডিপ্লোমা করেছেন। এরপর সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন সহকারী পরিচালক হিসেবে। ‘কিক’, ‘হাউজফুল ৩’-এর মতো ব্যবসাসফল ছবির অন্যতম সহকারী পরিচালক তিনি। সঙ্গে চলতে থাকে মডেলিং। এরপর হঠাৎই গেল বছর নায়িকা হিসেবে সুযোগ মেলে ‘ইয়ে সালি জিন্দেগিতে’। পরিচালনা দিয়ে শুরু করলেও আপাতত ক্যামেরার সামনেই বেশি কাজের ইচ্ছা শিবালিকার, ‘ভবিষ্যতে পরিচালনা করতে পারি, তবে এখন কেবল অভিনয়েই মন। সহকারী পরিচালনার অভিজ্ঞতা আমার অভিনয়েও অনেক সাহায্য করেছে।’

‘খুদা হাফেজ’-এ শিবালিকার সহশিল্পী বিদ্যুত জামওয়াল। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত অ্যাকশন থ্রিলারটিতে শিবালিকার নাম নার্গিস। ‘চরিত্রটি খুবই জটিল, অনেকটা আমার প্রথম ছবির মতোই। পর পর দুটি কঠিন চরিত্রে পারফরম করে আশা করি বড় ব্যানার ও নির্মাতার চোখে পড়তে পারব,’ বললেন শিবালিকা।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা