kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

ব্রিদ ও নিথিয়ার গল্প

প্রথম সিজনের সাফল্যের পর ফের আসছে ‘ব্রিদ’। আগামীকাল অ্যামাজন প্রাইমে ‘ব্রিদ—ইন দ্য শ্যাডোজ’ মুক্তি উপলক্ষে সিরিজ এবং এর প্রধান অভিনেত্রী নিথিয়া মেননকে নিয়ে লিখেছেন মামুনুর রশিদ

৯ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ব্রিদ ও নিথিয়ার গল্প

২০১৮ সালে অ্যামাজন প্রাইমে ‘ব্রিদ’ মুক্তির পর সমালোচকদের ইতিবাচক সাড়া পায়। আগামীকাল আসছে সিরিজটির দ্বিতীয় কিস্তি ‘ব্রিদ—ইন দ্য শ্যাডোজ’। প্রথম সিজনে দেখা গিয়েছিল, সন্তানকে বাঁচাতে এক বাবার খুনি হয়ে ওঠার গল্প, যেখানে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মাধবন। এবার বাবার চরিত্রে মাধবনের জায়গায় অভিনয় করবেন অভিষেক বচ্চন। সিরিজে দেখা যাবে অভিনাশের [অভিষেক] ছয় বছর বয়সী মেয়ে অপহৃত হয়। অপহরণকারী জানায়, একজনকে খুন করতে হবে অভিনাশকে। তবেই মেয়ে মুক্তি পাবে! এই সিরিজ দিয়েই ওয়েবে অভিষেক ঘটতে চলেছে অভিষেক বচ্চনের। দিনকয়েক আগেই [৩০ জুন] বলিউডে অভিনেতার দুই দশক পূর্তিও হয়েছে। সব মিলিয়ে খুশি অভিষেক, ‘অভিনয় খুবই চ্যালেঞ্জিং পেশা। যেকোনো মুহূর্তে দর্শক আপনাকে বাতিল করে দিতে পারে। এত দিন কাজ করতে পারায় তাই খুব খুশি। সঙ্গে ওয়েবের চ্যালেঞ্জ নিতেও মুখিয়ে আছি।’ অনেক চরিত্রে বদল হলেও ‘ব্রিদ’-এর এবারের কিস্তিতে প্রথম সিজনের অমিত সাধকে আবারও দেখা যাবে পুলিশ অফিসার চরিত্রটিতেই। সিরিজে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র আভা। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিথিয়া মেনন, গেল বছরই ‘মিশন মঙ্গল’ দিয়ে যার বলিউডে অভিষেক হয়েছে। হিন্দি সিনেমা ও ওয়েবের দর্শকদের কাছে খানিকটা কম পরিচিত হলেও নিথিয়া দক্ষিণ ভারতের অন্যতম অভিনেত্রী। কন্নড়, তামিল, তেলেগু, মালয়ালাম সিনেমায় কাজ করছেন দাপটের সঙ্গে। নিথিয়ার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটেছিল ইংরেজি সিনেমা ‘দ্য মাংকি হু নিউ টু মাচ’ দিয়ে। ১৯৯৮ সালে সিনেমাটিতে তিনি ছিলেন শিশুশিল্পী। এরপর কিছুটা বিরতি নেন বেঙ্গালুরুতে জন্ম নেওয়া অভিনেত্রী। কর্ণাটকে বড় হলেও দক্ষিণের সব কটি ভাষাই অনর্গল বলতে পারেন। এই গুণটি তাঁকে খুব সহজেই ওই অঞ্চলের সিনেমায় প্রচুর কাজ করতে সাহায্য করেছে। সঙ্গে তাঁর অভিনয়দক্ষতা তো ছিলই।

সাংবাদিকতা নিয়ে মনিপাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করা নিথিয়া সাংবাদিকই হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাংবাদিকতায় আগ্রহ হারিয়ে চলে আসেন সিনেমায়। পুনের ফিল্ম ইনস্টিটিউটে সিনেমাটোগ্রাফির ওপর কোর্স করেন। ২০০৬ সালে কন্নড় সিনেমায় অভিষেক ‘সেভেন ও ক্লক’ দিয়ে। মালয়ালামে শুরু ২০০৮ সালে, ‘আকশা গোপুরাম’ দিয়ে। ২০১১ সালে তামিল ও তেলেগুতে অভিষেক। এরপর টুকটাক সাফল্য পেলেও মূলত ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ইশক’ তাঁকে মূলধারার সিনেমার নায়িকা হিসেবে পরিচিতি দেয়। ২০১৩ থেকে ২০১৫; এই বছরগুলো তাঁর ক্যারিয়ারের উত্থানের সময়। তেলেগুতে ‘গুন্ডে জারি গাল্লানথায়িন্ডে’, ‘অক্কাডিন’-এর মতো আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করেন। ২০১৪ সালে কন্নড় সিনেমা ‘ময়না’ বক্স অফিসে ১০০ দিন চলার রেকর্ড করে। ২০১৫ সালে মণিরত্নমের ‘ওকে কানমনি’ সারা ভারতেই তাঁকে পরিচিত করিয়ে দেয়। ‘ব্রিদ-ইন দ্য শ্যাডোজ’ নিথিয়ার প্রথম ওয়েব সিরিজ। অভিনেত্রী বলছেন, হিন্দিতে কাজ করা তাঁর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। ক্যারিয়ারে ১৫ বছর পার করা অভিনেত্রী এই চ্যালেঞ্জ নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা