kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

অন্য জুটি

২ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অন্য জুটি

গ্রেটা গারউইগ ও সার্শা রোনান। একজন পরিচালক, অন্যজন অভিনেত্রী। লেডি বার্ড দিয়ে শুরু তাঁদের জুটি। এরপর সম্পর্ক গড়ায় বন্ধুত্বে। গেল সপ্তাহে তাঁদের ছবি লিটল উইমেন বিশ্বব্যাপী ১০ কোটি ডলার ব্যবসা পূর্ণ করেছে। গ্রেটা-সার্শার বন্ধুত্ব ও কাজ নিয়ে লিখেছেন মামুনুর রশিদ

২০১৭ সালে ‘লেডি বার্ড’ হলিউডে সাড়া ফেলে দিয়েছিল। গ্রেটা গারউইগ তখন একেবারে নতুন পরিচালক। তবে হলিউডে নতুন নন। অভিনেত্রী হিসেবে ভালোই নামডাক। তাঁর পার্টনার নোয়া বাউমবাক তো হলিউডের স্বাধীন ঘরানার চলচ্চিত্রের অন্যতম নির্মাতা। নোয়া বাউমবাকের অনেক সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্য লেখায় সহকারী হিসেবেও ছিলেন গ্রেটা। এর আগে ‘নাইটস অ্যান্ড উইকেন্ডস’ সিনেমায় জো সোয়ানবার্গের সহপরিচালক ছিলেন। ‘লেডি বার্ড’ তাঁর একক পরিচালনার প্রথম সিনেমা। ‘কামিং অব এজ’ ঘরানার সিনেমাটি তুমুল সমালোচক ও দর্শকপ্রিয় হয়েছিল। অস্কারে পেয়েছিল সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পরিচালক, সেরা চিত্রনাট্যসহ পাঁচ ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন। এই সিনেমা দিয়েই অভিনেত্রী সার্শা রোনানের সঙ্গে গ্রেটার জুটি গড়ে ওঠে। এর দুই বছর পর এই জুটি গেল বছর আবারও হাজির ‘লিটল উইমেন’-এ। 

কাজের বাইরেও দুজনের সম্পর্ক দারুণ। ২৫ বছর বয়সী আইরিশ অভিনেত্রী রোনান এরই মধ্যে চারবার অস্কারে মনোনয়ন পেয়েছেন। এর মধ্যে দুইবারই গ্রেটার কল্যাণে। তাঁদের এই বন্ধুত্বের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে গ্রেটা বলেন, “সার্শাকে প্রথম দেখেছিলাম ২০০৭ সালে ‘এটোনমেন্ট’ সিনেমার সেটে। ওর বয়স তখন সবে ১২। আমার ছিল ২৩। অথচ এর ১০ বছর পরই আমরা দারুণ বন্ধু বনে গেলাম।’ এরপর তাঁদের দেখা লন্ডনে। সার্শা তখন ব্যস্ত ‘ব্রুকলিন’ সিনেমার শুটিংয়ে। তাঁর ক্যারিয়ারে বড় ব্রেক ছিল সিনেমাটি। ওদিকে গ্রেটা তখন ব্যস্ত ছিলেন অন্য একটি ছবির শুটিংয়ে। সেখানে একই হোটেলে তাঁদের ফের দেখা। রোনানকে পেয়ে গ্রেটা তাঁর হাতে দেন ‘লেডি বার্ড’-এর চিত্রনাট্য। কোনো রকম অডিশন ছাড়াই গ্রেটা ঠিক করেন ছবিটি সার্শাই করবেন।

বাস্তব জীবনে তাঁদের জুটি এতটা জমে যাওয়ার কারণ, দুজনেই প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। একত্র হলে উচ্ছলতা যেন থামেই না। আর বাস্তব জীবনে তাঁদের বন্ধুত্বই পর্দার রসায়নকে আরো জমজমাট করেছে। সার্শার সঙ্গে ‘লিটল উইমেন’-এ কাজ করা নিয়ে গ্রেটা বলেন, ‘আগে একসঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থাকায় অনেক সুবিধা হয়েছিল। সার্শা সহজেই চরিত্রটি বুঝতে পেরেছে, আমি ঠিক কী চাইছি। এ ছাড়া পুরো সিনেমার নানা বিষয়ে সে কথা বলেছে। সে একরকম আমার সহকারী পরিচালক হয়েই কাজটা করেছে।’

সার্শাও জানান গ্রেটার সঙ্গে কাজ করার আনন্দের কথা, ‘বুড়ো বয়সেও আমাদের বুড়ো হওয়া নিয়ে সিনেমা বানাতে চাই।’

সব শেষ খবর, গ্রেটা-সার্শা জুটির ‘লিটল উইমেন’ গেল সপ্তাহেই বিশ্বব্যাপী ১০ কোটি ডলার ব্যবসা পূর্ণ করেছে। টানা এমন সাফল্যে স্বভাবতই খুশি দুজন। দুজনই জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে একসঙ্গে আরো কাজ করবেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা