kalerkantho

বুধবার । ৩১ আষাঢ় ১৪২৭। ১৫ জুলাই ২০২০। ২৩ জিলকদ ১৪৪১

লকডাউন তারকা

হালে প্রচারিত সিরিজগুলোর অভিনেত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিতদের একজন ডেইজি এডগার-জোন্স। বিবিসি-হুলুর ‘নরমাল পিপল’ দিয়ে বাজিমাত করেছেন তিনি। ব্রিটিশ অভিনেত্রীকে নিয়ে লিখেছেন হাসনাইন মাহমুদ

৪ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লকডাউন তারকা

‘নরমাল পিপল’-এর আগে ও পরে—নিশ্চিতভাবেই ডেইজি এডগার-জোন্সের জীবন এখন দুই ভাগে বিভক্ত। বিবিসি-হুলুর ‘নরমাল পিপল’ তাঁর সব কিছু বদলে দিয়েছে। সমালোচকদের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত সিরিজটির জন্য হঠাৎই হয়ে উঠেছেন সময়ের অন্যতম আলোচিত অভিনেত্রী। অনলাইনে নিজেকে নিয়ে এত আলোচনা এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না ২২ বছর বয়সী তারকার, ‘মনে হচ্ছে কোনো এক পরাবাস্তব চলচ্চিত্রের সেটে রয়েছি।’

ডেইজির মা-বাবা অবশ্য বিনোদন দুনিয়ার মানুষ। বাবা এডগার-জোন্স টিভি প্রযোজক, মা সম্পাদক। তবে ছোটবেলা থেকে ডেইজি নিজে চিন্তা করেননি অভিনয়ে আসার। ১৫ বছর বয়সে মায়ের আগ্রহেই ব্রিটেনের বিখ্যাত ন্যাশনাল ইয়ুথ থিয়েটারে অডিশন দেন। টিকেও যান। এখানেই প্রথমবারের মতো অভিনয়ের প্রতি নিজের ভালোবাসা আবিষ্কার করেন।

টিভিতে অভিষেক হয় ২০১৬ সালে, আইটিভির কমেডি ধাঁচের সিরিজ ‘কোল্ড ফিট’ দিয়ে। সিরিজটিতে ছিলেন পার্শ্বচরিত্রে। প্রথম অভিনয়ের অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য ছিল রীতিমতো ভীতিপ্রদ, ‘মনে হতো এই কাজটা পারব না, অভিনয় আমার জন্য না। ধীরে ধীরে ভয়টা কেটে গিয়েছিল।’

এরপর ‘আউটনাম্বারড’, ‘সাইলেন্ট উইটনেস’, ‘জেন্টলম্যান জ্যাক’—এ তিন সিরিজে ছোট চরিত্রে দেখা যায় ডেইজিকে। এরই মধ্যে বড় পর্দায় অভিষেক ‘পন্ড লাইফ’ দিয়ে। তবে প্রথমবারের মতো প্রধান চরিত্র পান ফরাসি-ব্রিটিশ সিরিজ ‘ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস’-এ। সায়েন্স ফিকশন ঘরানার সিরিজটি ইউরোপে বেশ জনপ্রিয়তা পায়।

তবে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক খ্যাতি পেয়েছেন এই ‘নরমাল পিপল’ দিয়ে। সিরিজটি আবর্তিত হয়েছে ম্যারিয়ান ও কনেলের জীবনের চারটি অধ্যায়ে তাদের মধ্যে ভালোবাসার নানা রূপকে ঘিরে। ম্যারিয়ান চরিত্রটি এতটাই সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন যে অনেক দর্শকই মনে করছেন, এটা হয়তো ডেইজির জীবনের ছায়া অবলম্বনেই তৈরি! তবে অভিনেত্রী পরিষ্কার করেছেন, ম্যারিয়ানের সঙ্গে কোনো মিলই নেই তাঁর। এর মধ্যেই বিশ্বজুড়ে তিন কোটিরও বেশিবার দেখা হয়েছে সিরিজটি! গল্পের বুননের পাশাপাশি পর্দায় ডেইজি ও পল মেস্কালের [কনেল চরিত্র করা অভিনেতা] রসায়ন মন কেড়েছে সবার। স্যালি রুনির উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ১২ পর্বের সিরিজটিকে এর মধ্যেই বছরের অন্যতম সেরার তকমা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা