kalerkantho

রবিবার । ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩১  মে ২০২০। ৭ শাওয়াল ১৪৪১

ওয়েবের তারা দুই

গেল দুই বছর ভারতীয় ওয়েব দুনিয়ায় রাজত্ব করেছেন রাধিকা আপ্তে। তাঁর জায়গা এখন নিয়েছেন জিতেন্দ্র কুমার ও শোভিতা ধুলিপালা। অনলাইনের পরিচিত দুই মুখকে নিয়ে লিখেছেন মামুনুর রশিদ

৯ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওয়েবের তারা দুই

জিতেন্দ্র কুমার

জিতেন্দ্র থেকে জিতু ভাইয়া

রাজস্থানের ছেলে জিতেন্দ্র কুমার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছেন খড়গপুরের আইআইটি থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ে দেদার মঞ্চনাটক করেছেন। সেটা করতে গিয়েই পরিচয় বিশ্বপতি সরকারের সঙ্গে। তাঁর মাধ্যমেই ওয়েব দুনিয়ায় যাত্রা শুরু। হালে ওয়েব সিরিজ নিয়ে অনেক কথা হলেও জিতেন্দ্রর ওয়েবে শুরু ২০১৩ সালে, ‘দ্য কুতিয়া ইন্টার্ন’ দিয়ে। এই সিরিজে মুন্না জাজবাতি চরিত্র করে ইউটিউবে ভাইরাল হন। সিরিজটি সে সময় প্রায় ৩০ লাখ ভিউ পায়। তবে তাঁর ক্যারিয়ারের নতুন বাঁকবদল হয় ‘টিভিএফ পিচার্স’ দিয়ে। সিরিজে হতাশাগ্রস্ত এক করপোরেট চাকরিজীবীর চরিত্র করেন জিতেন্দ্র। আরো বড় সাফল্য পান গেল বছর। ‘কোটা ফ্যাক্টরি’ দিয়ে রাতারাতি পুরো ভারতের তরুণদের কাছে জনপ্রিয়তা পান। সিরিজের চরিত্রের নাম ধরে তাঁর নামও হয়ে যায় ‘জিতু ভাইয়া’। এই সিরিজের সাফল্যেই বড় পর্দায় বড় চরিত্রে সুযোগ পান। এ বছর আয়ুষ্মান খুরানার সঙ্গে মুক্তি পায় ‘শুভ মঙ্গল জায়দা সাবধান’। জিতেন্দ্রর সাফল্যগাথার এই শেষ নয়। ৩ এপ্রিল থেকে অ্যামাজন প্রাইমে দেখা যাচ্ছে তাঁর নতুন সিরিজ ‘পঞ্চায়েত’। এত দ্রুত সাফল্যের জন্য ওয়েব প্ল্যাটফর্মগুলোর কাছে কৃতজ্ঞ জিতেন্দ্র, ‘সত্যি বলতে, স্ট্রিমিং সাইটগুলো না থাকলে আমার অভিনেতা হওয়া হতোই না। এত দিন কোনো চাকরি করতাম। ওয়েব নতুন অভিনেতার সঙ্গে অনেক নতুন বিষয়ও দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছে।’

 

শোভিতার গল্প

হালে ওয়েব সিরিজের কল্যাণে জনপ্রিয় হলেও শোভিতা ধুলিপালার শুরু চলচ্চিত্র দিয়ে। ২০১৬ সালে অনুরাগ কাশ্যপের ‘রমন রাঘব ২.০’ করার পর করেছেন ‘মেড ইন হ্যাভেন’-এর মতো আলোচিত সিরিজ। যোয়া আখতারের জনপ্রিয় এই সিরিজ দিয়েই ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন। এরপর ইমরান হাশমির সঙ্গে ঋভু দাশগুপ্তর ‘বার্ড অব ব্লাড’-এও দেখা যায় তাঁকে। এ বছর নেটফ্লিক্সের ‘গোস্ট স্টোরিজ’-এ অনুরাগ কাশ্যপের পর্বটিতে ছিলেন তিনি। এর মধ্যেই করে ফেলেছেন বৈচিত্র্যময় নানা চরিত্র। কাজ করেছেন তেলেগু সিনেমায়, সামনে দুলকার সালমানের বিপরীতে অভিষেক হতে যাচ্ছে মালয়ালামেও। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারের স্বর্ণসময় ভালো উপভোগ করছেন শোভিতা, ‘যেকোনো অভিনেতাই ওয়েব সিরিজের যুগে কাজ করতে পারার জন্য নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করবেন। কারণ এটা সবার সামনেই নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। কেবল সিনেমা করতে হলে সত্যি বলতে আমার মতো অনেকের ক্যারিয়ারই হুমকির মুখে পড়ত।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা