kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

মাবেলের শুরু

জন্ম স্পেনে, মা সুইডিশ, বাবা ব্রিটিশ—সব মিলিয়ে ছোটবেলা থেকেই নানা সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় মাবেলের। অন্যদের চেয়ে তাঁর গান আলাদা স্বাদের হওয়ার এটা বড় কারণ। এবারের ব্রিট অ্যাওয়ার্ডসে সেরা ব্রিটিশ গায়িকার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। লিখেছেন লতিফুল ঘশ

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মাবেলের শুরু

গান তাঁর রক্তে মিশে আছে—যেসব গায়িকার সম্পর্কে বলতে গেলে এই কথাটা অবশ্যই বলতে হবে তাঁর মধ্যে মাবেল ওপরের দিকেই থাকবেন। মা সুইডিশ গায়িকা নেনে চেরি, বাবা ইংলিশ রেকর্ড প্রযোজক ক্যামেরন ম্যাকভি। সত্দাদা ডন শেরি ছিলেন জ্যাজ ট্রামপেট বাজিয়ে। এখানেই শেষ নয়, সত্ভাই মার্লন রুডিটও গায়ক। পরিবারে প্রায় সবাই যখন গানের মানুষ, মাবেল আর যাবেন কোথায়! অনেকটা অবধারিতভাবেই তিনিও পা রেখেছেন সংগীত দুনিয়ায়। মা সুইডিশ, বাবা ব্রিটিশ হলেও মাবেলের জন্ম স্পেনের মালাগায়। বড় হওয়া থেকে গান—মাবেলের সব কিছুতেই এই তিন দেশের সংস্কৃতিরই বড় প্রভাব আছে; এখন গায়িকা যদিও থিতু হয়েছেন ব্রিটেনেই। ১৮ ফেব্রুয়ারি এবারের ব্রিট অ্যাওয়ার্ডসে সেরা ব্রিটিশ গায়িকার খেতাব পেয়েছেন। গানে মাবেলের উত্থান মাত্র কয়েক বছর। ২০১৭ সালে ‘ফাইন্ডার্স কিপার্স’ দিয়ে পরিচিতি পান। পেশাদার সংগীত দুনিয়ায় এটা তাঁর প্রথম গানও বটে, যা প্রকাশের পরই ইউকে টপ চার্টের আটে স্থান পেয়েছিল। ইউটিউবে গানটি দেখা হয়েছে চার কোটির বেশিবার। পরে গানটি গায়িকার প্রথম অ্যালবাম ‘হাই এক্সপেকটেশনস’-এ স্থান পায়। গেল বছরের ২ আগস্ট প্রকাশ পায় এই অ্যালবাম। ‘ডোন্ট কল মি আপ’ এই অ্যালবামের অন্যতম আলোচিত গান, যা ইউটিউবে ১০ কোটিরও বেশিবার দেখা হয়। অ্যালবামের আরেকটি উল্লেখযোগ্য গান ‘ম্যাড লাভ’। পুরো অ্যালবামটি ইউকে ও আইরিশ টপ চার্টের সেরা পাঁচে ছিল। এই অ্যালবামের বিপুল জনপ্রিয়তা গায়িকা হিসেবে একটা আলাদা জায়গা তৈরি করে মাবেলের জন্য। এই অ্যালবাম প্রকাশের পরই ইউরোপে টানা ২৪টি শো করার ঘোষণা দেন।

ব্রিটেন, ইউরোপের বাইরে এখনো তেমন বড় শ্রোতাগোষ্ঠী নেই আমার। নিজের দুনিয়াটাকে এবার আরো বড় করতে চাই।

গানে সবচেয়ে বড় প্রেরণা হিসেবে মাকেই দেখেন মাবেল, ‘মা আমার সবচেয়ে বড় প্রেরণা, বন্ধুও বটে। ছোটবেলা থেকেই আমার বন্ধু খুব কম, মায়ের সঙ্গে প্রচুর সময় কেটেছে। এ জন্য তাঁর মতোই গায়িকা হওয়ার পথ বেছে নিয়েছি কি না সেটা অবশ্য বলতে পারব না।’ গায়িকা না হলে মাবেল হবেন ইয়োগা প্রশিক্ষক। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি।

আরো অনেক শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও ব্রিট অ্যাওয়ার্ডসে মাবেল সেরা ব্রিটিশ গায়িকা হওয়ায় অনেকেই অবাক হয়েছেন। গায়িকা এটা নিতে চান নতুন শুরুর সূচনা হিসেবে, ‘ব্রিটেন, ইউরোপের বাইরে এখনো তেমন বড় শ্রোতাগোষ্ঠী নেই আমার। নিজের দুনিয়াটাকে এবার আরো বড় করতে চাই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা