kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

অদৃশ্য ভয়ংকর

এইচ জি ওয়েলসের বিখ্যাত ‘দি ইনভিজিবল ম্যান’ আসছে নতুন রূপে। একই নামে আগামীকাল মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ছবিটি নিয়ে লিখেছেন হাসনাইন মাহমুদ

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




অদৃশ্য ভয়ংকর

ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কল্পবিজ্ঞান লেখক মনে করা হয় এইচ জি ওয়েলসকে। তাঁর ‘দি ইনভিজিবল ম্যান’-এর জনপ্রিয়তা সর্বজনবিদিত। অদৃশ্য এই মানব বারবার উঠে এসেছে চলচ্চিত্র, ছোট পর্দা, এমনকি মঞ্চেও। ১৯৩৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দি ইনভিজিবল ম্যান’কে তো হরর চলচ্চিত্রের পথপ্রদর্শক হিসেবে গণ্য করেন বোদ্ধারা। এবার ফের পর্দায় আসছে ‘দি ইনভিজিবল ম্যান’। লেই ওয়ানেলের পরিচালনায় ছবিটির প্রধান চরিত্র সেসিলিয়া ক্যাস। অ্যাড্রিয়ান গ্রিফিন নামের এক খ্যাপাটে বিজ্ঞানীর স্ত্রী হিসেবে অনেকটা বন্দিজীবন তার। এক বন্ধুর সহায়তায় বন্দিদশা থেকে মুক্তি পায়। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই খবর আসে স্বামীর আত্মহত্যার। এর পর থেকেই অদৃশ্য এক উপস্থিতি যেন পিছু নেয় সেসিলিয়ার। স্বামীর মৃত্যু নিয়ে সন্দিহান সেসিলিয়াকেই শুধু নয়, তার নিকটজনের জন্যও হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এই অদৃশ্য উপস্থিতি। সেসিলিয়ার চরিত্রে অভিনয় করেছেন এলিজাবেথ মস। এ ছাড়া দেখা যাবে ওলিভার জ্যাকসন কোহেন, আলদিস হজকে।

আগামীকাল মুক্তি পেলেও আসলে বেশ কয়েক বছর ধরেই আলোচনায় চলচ্চিত্রটি। বিশেষ করে ইউনিভার্সালের ‘ডার্ক ইউনিভার্স’-এর পর্দায় সূচনার পর থেকেই শিরোনামে এই নামটি। জনি ডেপকে প্রধান চরিত্র হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করে কাজও শুরু হয়ে যায় চলচ্চিত্রটির। তবে ‘দ্য মামি’ বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পরার পর চলচ্চিত্রটিকেও শেলফে তুলে রাখেন প্রযোজকরা। ‘দি ইনিভিজিবল ম্যান’কে নতুনভাবে পর্দায় নিয়ে আসার দায়িত্ব দেওয়া হয় লেই ওয়ানেলকে। পরিচালক নিজের মতো করে ঢেলে সাজান চলচ্চিত্রটিকে। চিরাচরিত ‘দি ইনভিজিবল ম্যান’-এর ধারণা থেকে বের হয়ে ছবিটিকে ‘সারভাইভাল হরর’ রূপ দেন তিনি। পরিচালক বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ছবিটির অন্য একটি চরিত্র ছিল। সেটা ভেঙে আমি অন্য চেহারা দিতে চেষ্টা করেছি।’

‘দ্য হ্যান্ডমেইড’স টেল’ দিয়ে এলিজাবেথ মস এখন ছোট পর্দায় ছড়ি ঘোরাচ্ছেন। তবে বড় পর্দায় এখনো সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। গেল বছর ‘আস’-এ লুপিতা নিওঙ্গকে দেখে তাঁর খুব ইচ্ছা হয়েছিল হরর ছবি করার। এর মধ্যে প্রস্তাব পেয়ে গেলেন এই ছবির। ব্যস, ব্যাটে-বলে মিলে গেল। পরিচালক প্রস্তাব দেওয়ার পর আর দুবার চিন্তা করেননি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা