kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

জন্মকথা

ধলা মিয়া বলে ডাকতেন নানু

আব্দুন নূর সজল
অভিনেতা

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ধলা মিয়া বলে ডাকতেন নানু

পুরান ঢাকার হাজারীবাগে জন্ম আমার। ওখানে নানুর বাড়ি ছিল। আমরাও পরে বাড়ি করেছিলাম সেখানে। পৈতৃক সূত্রে আমি পটুয়াখালীর। বাবা আব্দুল লতিফ, মা কানিজ ফাতেমা। পেশায় বাবা প্রকৌশলী। খুবই মেধাবী ছাত্র ছিলেন। যশোর বোর্ডে স্ট্যান্ড করেছিলেন। করাচিতে উচ্চতর পড়াশোনা করেছেন সে সময়। মা গৃহিণী। শুনেছি, ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার দিকে আমার জন্ম। আমি অনেক বেশি ফর্সা হয়েছিলাম। যে কারণে ধলা মিয়া ডাকতেন নানু। আবার আকারে ছোটখাটো ছিলাম তাই খালা-খালুরা লিলিপুট বলে ডাকতেন। আব্দুন নূর নামটা দাদার দেওয়া, সজল বাবার দেওয়া নাম। ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট। সবার বড় বোন ফরিদা ইয়াসমীন চন্দ্রা, তিনি ডাক্তার, থাকেন নিউ ইয়র্কে। এরপর ভাইয়া আব্দুল আউয়াল উজ্জ্বল প্রকৌশলী, আছেন কানাডায়। ছোটবেলা থেকেই আমি বোনের খুব কাছের। একরোখা স্বভাবের ছিলাম, আপুই আমাকে সামলে রাখতেন। আব্বা আবুধাবিতে কাজ করতেন বলে সেখানেও থাকতে হয়েছে কিছু দিন। পুরান ঢাকায় ফিরে এসে অনেক ধরনের খেলার সঙ্গে আমার পরিচিতি গড়ে উঠেছে। ঘুড়ি ওড়ানো, ডাংগুলি, মার্বেল—এমন অনেক খেলাতেই বেশ পারদর্শী হয়েছিলাম। এসব খেলার কারণে প্রচুর মারও খেতে হতো। কিন্তু আমি একরোখা, এগুলো খেলতামই। বোনই আমাকে সহযোগিতা করত। দেরি করে এলে দরজা খুলে দিত, বাবা মারধর দিলে বোঝাত। ছোটবেলা থেকে খুব আদুরে ছিলাম, জন্মদিনটাও তাই বেশ আড়ম্বর করে পালিত হতো। চাচাতো ভাই-বোনরা অনেক দিন ধরে পরিকল্পনা করত। নাচ-গান হতো, অনেক উপহার পেতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ে উঠার পরও এভাবে জন্মদিন পালন করেছি। দুই তিন দিন আগেই চাচাতো-মামাতো ভাই-বোনরা সবাই আমাদের বাসায় চলে আসত।

বাবা পড়াশোনার বেলায় বেশ কড়াকড়ি দেখাতেন। তবে মা আমার জীবনে অনেক বেশি প্রভাব রেখেছেন।

অনুলিখন : ইসমাত মুমু

 

 

এ সপ্তাহে জন্মদিন

২০-২৬ ফেব্রুয়ারি

২০ ফেব্রুয়ারি

নুসরাত ইমরোজ তিশা

আব্দুন নূর সজল

আরবি প্রীতম

 

২৫ ফেব্রুয়ারি

সাইফ খান

 

২২ ফেব্রুয়ারি

ফরিদুর রেজা সাগর

শানারেই দেবী শানু

আলিশা প্রধান

 

২৬ ফেব্রুয়ারি

রেজানুর রহমান

শায়না আমিন

 

২৪ ফেব্রুয়ারি

লিটন অধিকারী রিন্টু

শাকিল আনাম খান

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা