kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ জানুয়ারি ২০২০। ১০ মাঘ ১৪২৬। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ভ্যাম্পায়ার উইকেন্ড

নিউ ইয়র্কের রক ব্যান্ড ‘ভ্যাম্পায়ার উইকেন্ড’। বছরজুড়ে তারা আলোচিত ছিল ‘ফাদার অব দ্য ব্রাইড’ অ্যালবাম দিয়ে। লিখেছেন লতিফুল হক

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভ্যাম্পায়ার উইকেন্ড

ব্যান্ডটির জন্ম নিউ ইয়র্ক সিটিতে। ২০০৬ সালে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ব্যান্ড সদস্যদের আলাপ-পরিচয়। এরপর বন্ধুত্ব। মনের মিল তো ছিলই, ধীরে ধীরে জানা গেল সবার গানের পছন্দও প্রায় একই ধরনের। ব্যস, সে বছরই গড়ে উঠল ‘ভ্যাম্পায়ার উইকেন্ড’। আশ্চর্যজনকভাবে পরের বছরই তারা সমালোচকদের নজর কাড়ে। তাদের ‘কেপ কড কাওয়াসা কাওয়াসা’ রোলিং স্টোনের করা বছরের সেরা ১০০ গানের তালিকায় স্থান পায়। এই কীর্তি তাদের জনপ্রিয়তা পাওয়ার রাস্তা খুলে দেয়। ২০০৮ সালে তারা জনপ্রিয় দুটি টিভি শো ‘দ্য লেট শো উইথ ডেভিড লেটারম্যান’ ও ‘স্যাটারডে নাইট লাইফ’-এ পারফরম করার সুযোগ পায়। এর সুবাদে তাদের গান পেশাদার দুনিয়ার নজরে আসে। একই বছর প্রকাশ পায় তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘ভ্যাম্পায়ার উইকেন্ড’। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য দুই দেশেই বেশ ভালো সাফল্য পায়। বিশেষ করে তরুণরা দারুণ পছন্দ করে। অ্যালবামটি বিলবোর্ড হট ২০০-র তালিকায় ১৭ নম্বরে স্থান পায়। দ্বিতীয়টি ছাড়িয়ে যায় প্রথমটির সাফল্য। ২০১০-এ প্রকাশ পাওয়া ‘কনট্রা’ সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা পায়। বিলবোর্ড হট ২০০-এ শীর্ষে জায়গা পায়। পরের অ্যালবামও ধারাবাহিকতা ধরে রাখে। ‘মডার্ন ভ্যাম্পায়ার্স অব দ্য সিটি’ নামের সেই অ্যালবামটিতে ব্যান্ডটি মূলত আফ্রিকান প্রভাবিত ইন্ডি পপ ঘরানার গান রাখে।

তবে এ বছরের ৩ মে প্রকাশিত ‘ভ্যাম্পায়ার উইকেন্ড’-এর চতুর্থ অ্যালবাম ছাড়িয়ে যায় তাদের আগের সব সাফল্য। ‘ফাদার অব দ্য ব্রিজ’ বছরের অন্যতম আলোচিত অ্যালবাম হিসেবে শ্রোতা-সমালোচক সবার মনেই জায়গা পায়। ২০২০ সালের গ্র্যামিতে অ্যালবাম ‘অব দ্য ইয়ার’ ও ‘বেস্ট অলটারনেটিভ মিউজিক অ্যালবাম’ ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন আদায় করে নেয়। ছয় বছর পর প্রকাশিত অ্যালবামটির গানগুলোতে কান্ট্রি মিউজিকের প্রভাব রয়েছে। এ অ্যালবামটিও প্রকাশের পর বিলবোর্ড হট ২০০-র শীর্ষে জায়গা পেয়েছিল। এ নিয়ে তাদের টানা তৃতীয় অ্যালবাম প্রকাশের পরই হট ২০০-র শীর্ষস্থান দখল করল। সাত সদস্যের ব্যান্ডটির সবচেয়ে পরিচিত তিন মুখ হলেন এজরা কোয়েনিং, ক্রিস বাইয়ো ও ক্রিথ টমসন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা