kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

জন্মকথা

ঐশী সবার বড়

নাসিমা আক্তার, ফাতিমা তুয-যাহ্রা ঐশীর মা

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঐশী সবার বড়

৮-১২-৯৬ ঐশীর জন্মদিন। দিনটার একটা বিশেষত্ব হচ্ছে। মাস আর তারিখ গুণ করলে সালটা পাওয়া যায়। ঐশী এটা সব সময় বলে। সেদিন ছিল রবিবার, ভোররাতে ওর জন্ম। ওর বাবার চাকরির সুবাদে রংপুরে ছিলাম আমরা। ঐশী যখন সাত মাস পেটে তখন আমাদের স্থায়ী নিবাস নোয়াখালীতে চলে আসি। আমার তিন ছেলে-মেয়েই নরমাল ডেলিভারিতে হয়েছে। ওর জন্মের ৪৫ দিন পর আবার আমরা রংপুর চলে গিয়েছিলাম। জন্মের সময় ওর বাবা আমাদের পাশে থাকতে পারেননি।

ঐশী নামটা আমার দেওয়া। ফাতিমা তুয-যাহ্রা রেখেছে ওর বাবা। আমার শাশুড়ির নাম যোহরা খাতুন। তাঁর সঙ্গে মিলিয়ে যাহ্রা। কিন্তু প্রায় সব জায়গায় ভুল করে জোহরা লেখে। স্বরবর্ণের প্রতি কেন যেন আমার বিশেষ দুর্বলতা। তিন সন্তানের ডাকনামই স্বরবর্ণ দিয়ে—ঐশী, ইশিক, ইয়াশ। ঐশীর অর্থটাও সুন্দর—আসমানি বাণী।

ঐশী সবার বড়। ওর পর আমার দুই ছেলে—মুশফিক আহানাজ ইশিক নবম আর ছোট ছেলে ফাইয়াজ আহানাজ ইয়াশ ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। ঐশীর আগে আমার ভাইয়ের একটা ছেলে হয়েছে। আমার বংশের দ্বিতীয় সন্তান ঐশী। ওর বাবার বংশে ছেলেদের ঘরে ঐশীই প্রথম। ওর জন্মের পর আমরা ছয়-সাত বছর রংপুরে ছিলাম। ওর জন্মদিন কখনো খুব বড় করে পালন করা হয়নি। আশপাশে যারা আছে তাদের নিয়েই ঘরোয়া পরিবেশে অনুষ্ঠান হয়।

অনুলিখন : ইসমাত মুমু

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা