kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

কিয়ারা পারেন অনেক কিছুই

৩৪ বছর বয়সী মার্কিন গায়িকা কিয়ারা। গানের সঙ্গে দক্ষতা আছে অভিনয়, মডেলিং ও উপস্থাপনায়ও। এবারের ‘আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করবেন তিনিই। লিখেছেন লতিফুল হক

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কিয়ারা পারেন

অনেক কিছুই

কিয়ারার গায়কি, গানের কথা প্রচলিত অন্য শিল্পীদের চেয়ে কিছুটা আলাদা। তাই ২০০৪ সালে প্রথম অ্যালবাম প্রকাশের পরই সাড়া পড়ে গিয়েছিল। তাঁর সব কিছু একটু আলাদা হওয়ার কারণ ছোটবেলায় দুনিয়ার অনেক অংশ জুড়ে ঘুরে বেড়ানোর অভিজ্ঞতা। বাবা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীতে, তার চাকরিসূত্রে কিয়ারার ছেলেবেলা কেটেছে পৃথিবীর নানা প্রান্তের বিভিন্ন শহরে। মা-বাবা ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান। মায়ের পূর্বপুরুষ আবার আইরিশ। সব মিলিয়ে নানা সংস্কৃতির প্রভাব পাওয়া যায় কিয়ারার গানে। প্রথম অ্যালবাম ‘গুডিজ’ প্রকাশের পর সুপারহিট হয়। বিলবোর্ড হট ১০০, ২০০-এ শীর্ষে ছিল তো বটেই, যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম সপ্তাহে বিক্রি হয় এক লাখ ২৪ হাজার কপি! দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘কিয়ারা—দ্য ইভল্যুশন’ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখে। আগেরটির মতো সুপারহিট হয়। দর্শক-সমালোচক উভয়েরই ব্যাপক প্রশংসা পায়। নানা দেশের টপচার্টের শীর্ষে জায়গা পায়। কিন্তু ২০০৬ সালে দ্বিতীয় অ্যালবাম প্রকাশের পর থেকেই ছন্দঃপতন। টানা দুটি অ্যালবাম ফ্লপ। এরপর রেকর্ড কম্পানি বদল করেও লাভ হয়নি। টানা ব্যর্থ হতে থাকেন। তবে দ্রুত বিকল্প খুঁজে নিতেও সময় লাগেনি। গানের কিয়ারা ঝুঁকে পড়েন অভিনয় ও মডেলিংয়ের দিকে। এখানেও বাজিমাত করেন। বিখ্যাত সব প্রসাধনী কম্পানির বৈশ্বিক শুভেচ্ছা দূত হন। অভিনয় করেন মোটামুটি জনপ্রিয় কয়েকটি সিরিজ ও সিনেমায়। এ পর্যন্ত কিয়ারার সব অর্জনে গানের ভূমিকাই বেশি। গায়িকা হিসেবে তাঁর আটটি সিঙ্গল বিলবোর্ড হট ১০০-র শীর্ষে ছিল। জিতেছেন একটি গ্র্যামিও। সব মিলিয়ে গায়িকা পরিচয়েই বেশি আনন্দ পান। তাই টানা ব্যর্থ হলেও গান থামাননি। সব শেষ অ্যালবাম ‘বিউটি মার্ক’ প্রকাশ পেয়েছে এ বছরের ১০ মে। এটিও সাফল্য পায়নি। তাঁর সাত অ্যালবামের মধ্যে এটিই সবচেয়ে কম ব্যবসা করেছে। এ নিয়ে মোটেও হতাশ নন কিয়ারা, ‘গাওয়ার মতো আনন্দ আর কিছুতে পাই না। নতুন অ্যালবামের প্রস্তুতি এখনো আমার কাছে সবচেয়ে বড় উত্সব।’

গাওয়ার মতো আনন্দ আর কিছুতে পাই না। নতুন অ্যালবামের প্রস্তুতি এখনো আমার কাছে সবচেয়ে বড় উত্সব।

আপাতত তিনি খবরে উপস্থাপিকা হিসেবে। ২৪ নভেম্বর লস অ্যাঞ্জেলেসের মাইক্রোসফট থিয়েটারে ‘আমেরিকান মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করবেন তিনি। সংগীত অনুষ্ঠান উপস্থাপনা অবশ্য তাঁর জন্য নতুন কিছু নয়। আগে ২০১৬ সালে ‘বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’ বেশ ভালোভাবেই উপস্থাপনা করেছিলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা