kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

তিন কন্যা এক ছবি

দীর্ঘ ১৬ বছরের বিরতির পর আগামীকাল ফের পর্দায় আসছে ‘চার্লিজ অ্যাঞ্জেলস’-এর নতুন কিস্তি। কিন্তু এত দিন পর ভক্তদের প্রত্যাশা কতটা মেটাতে পারবে ছবিটি? লিখেছেন হাসনাইন মাহমুদ

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




তিন কন্যা এক ছবি

মার্কিন চ্যানেল এবিসিতে ১৯৭৬ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত প্রচারিত হয় অ্যাকশনধর্মী টিভি সিরিজ ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস’। পুরুষদের আধিপত্য নিয়ে হাজারো চলচ্চিত্র কিংবা টেলিভিশন সিরিজের ভিড়ে নারীকেন্দ্রিক সিরিজটি প্রবল জনপ্রিয়তা পায়। সিরিজটির আদলে ২০০০ ও ২০০৩ সালে মুক্তি পায় দুটি চলচ্চিত্র। বক্স অফিসে বাজিমাত করে ক্যামেরন ডায়াজ, লুসি লিউ ও ড্রিউ ব্যারিমোর অভিনীত চলচ্চিত্র দুটি। প্রায় ১৬ বছর পর ফের বড় পর্দায় আসছে ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস’।

এবারের পর্বে দেখা যাবে রহস্যময় চার্লস টাউনসেন্ডের গড়া গুপ্তচর সংস্থার কলেবর আমেরিকার বাইরেও ছড়িয়ে গেছে। সংস্থাটির চালিকাশক্তি হিসেবে রয়েছে সাহসী ও অদম্য নারী গুপ্তচররা। এর মধ্যে হুট করেই একজন তরুণ প্রকৌশলী এমন এক প্রযুক্তির কথা ফাঁস করে দেয়, যা পুরো পৃথিবীকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। পৃথিবীর মানুষকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে চার্লির তিনজন সাহসী সৈনিক। এবার চার্লির ত্রয়ী হিসেবে দেখা যাবে ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট, নাওমি স্কট ও এলা ব্যালিন্সকাকে। চলচ্চিত্রটি পরিচালনায় রয়েছেন অভিনেত্রী থেকে পরিচালক বনে যাওয়া এলিজাবেথ ব্যাংকস। পরিচালনার সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন তিনি। ২০০৩ সালে ‘চার্লিস অ্যাঞ্জেলস’-এর দ্বিতীয় কিস্তি মুক্তির পর থেকেই শোনা যাচ্ছিল ছবিটির সিক্যুয়ালের কথা। কিন্তু নানা কারণে পিছিয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে ২০১৫ সালে এলিজাবেথ ব্যাংকসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। চলচ্চিত্রটি নির্মাণের ক্ষেত্রে অভিনেত্রী প্রাধান্য দিয়েছেন মূল টিভি সিরিজটিকে। আগের ছবিগুলোতে পরিচালকরা জোর দিয়েছিলেন মার্শাল আর্টের ওপর। তবে এবার ব্যাংকস পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন অস্ত্রের ঝনঝনানি। পরিচালক বলেন, ‘সিরিজটির আবেদন আগের মতোই আছে। তাই মূল দর্শনের পরিবর্তন করতে চাইনি।’

ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট নিজে ছবিটি নিয়ে ভীষণ আশাবাদী। কারণ থ্রিলার ও ফ্যান্টাসিধর্মী চলচ্চিত্র করলেও সত্যিকারের অ্যাকশন ছবিতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা ছিল না তাঁর। নিজের চরিত্রটি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ছবিতে চরিত্রটির অনেকগুলো স্তর আছে। অ্যাকশনের চেয়ে পর্দায় চরিত্রটির বিভিন্ন মানসিক অবস্থা ফুটিয়ে তুলতেই বেশি আগ্রহী ছিলাম আমি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা