kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

স্মরণের এক যুগ

নতুন চারটি গান নিয়ে আসছেন নোশিন তাবাসসুম স্মরণ। উপস্থাপনায়ও নাম লিখিয়েছেন। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন আতিফ আতাউর। ছবি তুলেছেন আপন খান

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্মরণের এক যুগ

সাত গান

এ বছর প্রকাশিত হয়েছে স্মরণের তিনটি গান—‘অগ্নিবাসর’, ‘নেই কোনো অধিকার’ এবং ‘শুধু তুমি ছিলে না’। ‘অগ্নিবাসর’ ভিডিও আকারে প্রকাশিত হয়েছে মিউজিক বক্স থেকে। বাকি দুটি ‘মন মিউজিক স্টুডিও’ থেকে এসেছে লিরিকাল ভিডিওতে। প্রকাশের অপেক্ষায় তাঁর আরো চারটি গান—‘কখনো তন্দ্রাহারা রাতে’, ‘চোখের পাতা’, ‘জলছবি’ ও ‘বাহানা’। শেষের গানটিতে স্মরণের সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন ক্লোজআপ ওয়ান খ্যাত রাশেদ। সব কটি গানের কাজই শেষ। এখন প্রকাশ করার পালা।

 

অ্যালবাম থেকে প্লেব্যাক

২০০৮ সালের ‘ক্ষুদে গানরাজ’ প্রতিযোগিতা থেকে এসেছেন স্মরণ। এরই মধ্যে এক যুগ পার করেছেন সংগীতাঙ্গনে। একমাত্র একক অ্যালবাম ‘স্মরণের জানালা’র পাশাপাশি কণ্ঠ দিয়েছেন প্রায় ২০টি মিক্সড অ্যালবামে। প্রকাশ করেছেন পাঁচটি মিউজিক ভিডিও। প্লেব্যাক করেছেন প্রায় ১০টি চলচ্চিত্রে। এর মধ্যে রয়েছে—‘দ্য স্পিড’, ‘চোখ গেল পাখি’, ‘আয় খুকু আয়’, ‘প্রিয় তুমি সুখী হও’, ‘স্বপ্নের দিন’ প্রভৃতি। গেয়েছেন নাটক, টেলিফিল্মেও। গায়িকা বলেন, ‘যখন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছি তখন খুব ছোট ছিলাম। তাই পড়াশোনাতেই মনোযোগী ছিলাম বেশি। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমার ক্যারিয়ারও বড় হচ্ছে। সব মাধ্যমেই এখন নিয়মিত কাজ করছি। এটা ধরে রেখে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’

 

স্বপ্নপূরণ 

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের একনিষ্ঠ ভক্ত স্মরণ। ছোটবেলা থেকেই বুলবুলের সুরে গাওয়ার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন পূরণও হয়েছে। ২০১৪ সালের ভালোবাসা দিবসে প্রকাশিত হয় স্মরণের প্রথম একক অ্যালবাম—‘স্মরণের জানালা’। অ্যালবামে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের কথা-সুরে দেশাত্মবোধক ‘তুমি বন্ধু গিটার বাজাও’ এবং ‘কাছে আসতে মানা’ গান দুটি করার সুযোগ পান স্মরণ। এরপর আরো কয়েকটি মিক্সড অ্যালবামে গেয়েছেন বুলবুলের সুরে। ‘কাছে আসতে মানা’র জন্য পেয়েছিলেন ‘চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড’। স্মরণ বলেন, ‘ক্লাস এইটে পড়ার সময় বুলবুল স্যারের কাছে গান করতে যাই। আমাকে দেখে বলেন, তুমি না ছোট, না বড়। ছড়া কিংবা রোমান্টিক কোনোটাই তোমার সঙ্গে মানাবে না। তুমি বরং একটা দেশের গান গাও।’

 

উপস্থাপনা

টেলিভিশন লাইভগুলোতে নিয়মিতই দেখা যায় স্মরণকে। এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সব চ্যানেলের গানের অনুষ্ঠানেই নিয়মিত অংশ নিই। চেষ্টা করি সঠিক সুরে গাওয়ার। গানের সঙ্গে যাঁরা সংশ্লিষ্ট তাঁদের  তথ্যও তুলে ধরি। সময়মতো অনুষ্ঠানে পৌঁছি। এ কারণে চ্যানেলগুলো আমাকে পছন্দ করে। সঙ্গে দর্শক-শ্রোতাদের ভালোবাসা তো আছেই।’ গাওয়ার পাশাপাশি টিভি অনুষ্ঠান উপস্থাপনাও করছেন স্মরণ। আগে মাই টিভিতে ‘রঙ’ নামে একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন। এখন বিটিভিতে নতুন শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান ‘নব জাগরণ’ উপস্থাপনা করছেন। ‘টেলিভিশনে গাওয়ার পাশাপাশি উপস্থাপনা বেশ উপভোগ করছি। অনুষ্ঠানগুলো গানের হওয়ায় গান ও গানের মানুষদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারছি।’

 

হতে চান নিউজ প্রেজেন্টার

স্মরণের বাবা নীলফামারী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক। মা শিক্ষকতা করতেন। এখন মেয়েকেই সময় দেন। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজিতে পড়ছেন স্মরণ। সংগীতশিল্পীর পাশাপাশি ইংরেজি নিউজ প্রেজেন্টার হতে চান তিনি। বলেন, ‘আমি ইচ্ছা করেই ইংরেজি নিয়েছি। ইংরেজিতে পড়ার কারণে বিশ্ব সংগীত সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ হচ্ছে। আবার ইংরেজি নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবেও নিজেকে তৈরি করতে পারছি। শিক্ষকতা করারও ইচ্ছা আছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা