kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

ফেসবুক থেকে

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফেসবুক থেকে

জার্নাল ৬৪

জার্নাল ৬৪ [২০১৮]

ডেনমার্ক

ক্রাইম, মিস্ট্রি, থ্রিলার

গেল বছর মুক্তি পেয়েছে ‘ডিপার্টমেন্ট অব কিউ’ সিরিজের চতুর্থ ছবি ‘জার্নাল ৬৪’। মনে করা হচ্ছে, এটিই সিরিজের শেষ ছবি। যাঁরা সিরিজটি সম্পর্কে জানেন না, তাঁদের বলি, এটা ড্যানিশ ক্রাইম-থ্রিলার। সিরিজটি মূলত কার্ল ও আসাদের গল্প। সরকারি গোয়েন্দা বিভাগের দুই কর্মীর মধ্যে আপাতদৃষ্টে দা-কুমড়া টাইপ সম্পর্ক হলেও আসলে দুজন একে অন্যকে খুবই পছন্দ করে। দুজনের ব্যক্তিত্ব অবশ্য একেবারেই আলাদা। কার্ল বেপরোয়া, ধূমপায়ী, আসাদ আবার একেবারেই শান্ত। কিন্তু অগোছালো জীবন যাপন করলেও কার্ল আসলে তুখোড় এক গোয়েন্দা, তার চোখ ফাঁকি দেওয়া কার্যত অসম্ভব।

     এবারের গল্প শুরু হয় নির্মাণ শ্রমিকদের দিয়ে। একটি ভবনের দেয়াল ভাঙার সময় তারা গুপ্ত কুঠুরি আবিষ্কার করে, যা ভাঙতেই পাওয়া যায় তিনটি লাশ। ডাইনিং টেবিলে লাশগুলো যেন মমির মতো বসে আসে। টেবিলের পাশে চারটি চেয়ার থাকলেও লাশ তিনটি। অন্যটি ফাঁকা। সেটাতে কি খুনি নিজেই ছিল? নাকি চতুর্থ চেয়ারের ব্যক্তিটি জানে বাঁচতে পেরেছিল? লোকগুলোই বা কারা? তাদের এভাবে খুন করা হলো কেন? এমন নানা প্রশ্ন, উত্তর অজানা। কেসের সমাধান করতে এসে আরো অনেক জটিল অঙ্ক সমাধান করতে হয় কার্ল আর আসাদকে। কিন্তু তারা কি সফল হয়? এ নিয়েই ছবি। বরাবরের মতোই কার্ল আসাদের দারুণ রসায়ন ছবির সম্পদ। তবে চিত্রনাট্য আগের তিনটির চেয়ে একটু দুর্বল মনে হয়েছে। একটি জনপ্রিয় উপন্যাস সিরিজ থেকে এই সিনেমা সিরিজ। সিরিজের বই অনেকগুলো থাকলেও সিনেমা কেন চারটিতেই শেষ করা হচ্ছে, বোধগম্য নয়।

 

রাসেল আহমেদ

সিনেমাখোর গ্রুপের পোস্ট

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা