kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

এবার মিশন মঙ্গল

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবার মিশন মঙ্গল

ভারতের স্বাধীনতা দিবস মানেই অক্ষয় কুমারের সিনেমা। টানা সাত স্বাধীনতা দিবসেই পর্দায় ছিলেন অভিনেতা। এবার হাজির ‘মিশন মঙ্গল’ নিয়ে। ছবিটি নিয়ে লিখেছেন খালিদ জামিল

 

হালে সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত সিনেমায়ই বেশি দেখা যাচ্ছে অক্ষয় কুমারকে। এ বছরের শুরুর দিকে মুক্তি পাওয়া ‘কেশরি’ও ছিল সত্য ঘটনা নিয়ে। এবারেরটিও তা-ই। ‘মিশন মঙ্গল’ নির্মিত হয়েছে ২০১৩ সালে ভারতের ‘মার্স অর্বিটার মিশন’ অবলম্বনে। আগে মহাকাশ গবেষণা নিয়ে বলিউডে সিনেমা হয়নি। শুধু গল্পই নয়, সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রী নির্বাচনেও চমক দেখিয়েছেন পরিচালক জগন শক্তি। ছবিতে অক্ষয় ছাড়াও আছেন বিদ্যা বালান, সোনাক্ষী সিনহা, তাপসী পান্নু, কীর্তি কুলহারি, শারমান যোশি। এ ছাড়া এই ছবি দিয়েই বলিউডে অভিষেক হচ্ছে আলোচিত দক্ষিণী অভিনেত্রী নিথিয়া মেননের; যদিও শুরুতে এত জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের একসঙ্গে হাজির করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কী এক ঝামেলায় ‘থ্রি ইডিয়টস’ তারকা শারমান যোশির সঙ্গে কাজ করতে আপত্তি জানিয়েছিলেন সোনাক্ষী। পরে অবশ্য রাজি হন। ফলে ‘হলিডে’ মুক্তির বছর পাঁচেক পর এক ছবিতে ফের অক্ষয়-সোনাক্ষী। এ রকম সমীকরণ আরো আছে। ‘ভুল ভুলাইয়া’র ১১ বছর পর পুনর্মিলন হচ্ছে অক্ষয়-বিদ্যার। ‘মিশন মঙ্গল’-এ অক্ষয় মহাকাশবিজ্ঞানী। আগে ‘জোকার’ ছবিতেও প্রায় একই ধরনের চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। সেখানে ছিলেন সোনাক্ষীও। বিষয়বস্তুর কারণে ছবিটি আগ্রহ সৃষ্টি করলেও এরই মধ্যে নানা কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছে। নির্মাতাদের বিরুদ্ধে চিত্রনাট্য চুরির অভিযোগ এনে মামলা ঠুকে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিচালক রাধা ভরদ্বাজ। এখানেই শেষ নয়, ছবির প্রথম পোস্টার মুক্তি পাওয়ার পর খেপেছেন নারীবাদীরা। তাঁদের অভিযোগ, মূল ঘটনায় নারীদের ভূমিকা বেশি থাকলেও পোস্টারে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে অক্ষয়কে, যা পরোক্ষভাবে সমর্থন করেছেন খোদ ছবির অভিনেত্রী তাপসী পান্নুও। সমালোচকদের সঙ্গে একমত হলেও তিনি বলেছেন, ‘এটা শুধু দর্শক টানার কৌশল।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা