kalerkantho

এই আছি এই নেই

বিয়ের পর অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলেন শোবিজে। কখনো একেবারেই হাওয়া, আবার ফিরেও আসেন। সারিকা সাবরিনকে নিয়ে লিখেছেন ইসমাত মুমু

১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এই আছি এই নেই

২০১৪ সালে বিয়ে। অবশ্য আগের বছর থেকেই শোবিজে অনিয়মিত। স্বামী-সংসার-সন্তান নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়লেন এবং শোবিজকে বিদায় বললেন। বিবাহবিচ্ছেদের পর ২০১৬ সালে আবার ফিরলেন। কিন্তু নিয়মিত হতে পারলেন না। এই আছি এই নেই অবস্থা। কোরবানির ঈদে আবারও ফিরছেন টিভি নাটকে। ‘আমারও অভিনয়ের বাইরে আলাদা এক জীবন আছে। আছে পরিবার ও সন্তান। তাদের জন্যও তো কিছুটা সময় হাতে রাখা উচিত। এটাই আমার পিছুটান। তাদের ফেলে রেখে সব সময় কাজে ডুবে থাকতে পারি না। খ্যাতির মোহে মেয়েকে একা ফেলে একের পর এক শুটিং করে যাব—এই মানসিকতা আমার নেই। আমার বাবাও ভীষণ অসুস্থ, তাঁর পাশেও আমাকে থাকতে হয়েছে। এ জন্যই আসলে আমাকে আসা-যাওয়া করতে হয়। এখন সব কিছু গুছিয়ে এনেছি, তাই আবার অভিনয়ে সময় দিতে পারছি’—একপ্রকার কৈফিয়তই দিলেন সারিকা।

একক নাটক ও ঈদ ধারাবাহিক মিলিয়ে ঈদের সাতটি নাটকে কাজ করেছেন এরই মধ্যে—সকাল আহমেদের ‘ব্রেকিং নিউজ’ ও ‘ব্যক্তিত্ব বাবুল’, মাবরুর রশীদ বান্নাহর ‘ভিউ বাবা’, তুহিন হোসেনের ‘অন্যদিন’ ও ‘চুল তার কবেকার’, মাকসুদুর রহমান বিশালের ‘অনুভূতি’ এবং সৈয়দ শাকিলের ‘তৃতীয় বিবাহবার্ষিকী’। আরো বেশ কয়েকটি নাটকের শিডিউল দিয়ে রেখেছেন। ঈদের আগের দিনের মধ্যে এগুলোর শুটিং শেষ করবেন। এর মধ্যে কিছু নাটক এবার আলোচিত হবেই, এমনটাই ধারণা সারিকার। উদাহরণও দিলেন, “অনেকেই ফেসবুকে বা বিভিন্নভাবে বলতেন—আপু, আপনার সঙ্গে অপূর্বর নাটক চাই। এবার অপূর্বর একসঙ্গে ‘তৃতীয় বিবাহবার্ষিকী’ করলাম। নাটকে অপূর্ব এক হাড়কিপটে স্বামী। বাবার বেহিসাবি জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাকে নিয়ে আলাদা থাকে। আজকালকার নাটকে শুধুই রোমান্সকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। মা-বাবা কিংবা পরিবারের ভেতরের গল্পটা খুব একটা বলছে না কেউ। এই নাটকে সেই ব্যাপারটি আছে। অনেকেই মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে আমাকে দেখতে চেয়েছেন, তাঁদের জন্যও সুখবর আছে। ঈদের একাধিক নাটকে মোশাররফ ভাইয়ের সঙ্গে আমাকে পাবেন দর্শক’—বললেন সারিকা।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারেও সিরিয়াস। আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন। অফার পেলে এবং পছন্দ হলে করবেন। কোন নির্মাতার ছবি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন? সারিকা বলেন, ‘এই প্রশ্নের উত্তর নেই আমার কাছে। এটা সত্যি, একসময় অনেক নির্মাতাই সিনেমার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, এখনো পাই। কিন্তু কাউকেই আশ্বাস দিতে পারিনি। কোনটা যে ভালো লাগবে, সেটা বলা মুশকিলই।’

সারিকার একমাত্র মেয়ে সারিশ আনাহ করিম। অভিনয়ের বাইরে তাকে নিয়েই থাকেন। সেই দিনের পুচকে মেয়ে এখন মাকে শাসনও করে। মা বাইরে গেলে তাঁকে ব্যাগ গোছাতে সাহায্য করে। বলে দেয়—আম্মু, তাড়াতাড়ি ফিরে এসো।

 

ছবি : আবেদ শরিফ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা