kalerkantho

সোমবার । ২৬ আগস্ট ২০১৯। ১১ ভাদ্র ১৪২৬। ২৪ জিলহজ ১৪৪০

কেমন খেলল বাংলাদেশ

যুক্তরাজ্যের মাঠে বসে খেলা দেখেছেন শোবিজের বেশ কয়েকজন তারকা। কেমন খেলল বাংলাদেশ? বলেছেন তাঁদের কয়েকজন

১১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কেমন খেলল বাংলাদেশ

মাঠে জয়া আহসান

যদি পাকিস্তানকে হারাতে পারত...

জয়া আহসান অভিনেত্রী

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দেশে ফিরে এলেও ক্রিকেটের টানেই আবার ইংল্যান্ড গেলাম। বাংলাদেশের শেষ ম্যাচটিতে মাশরাফিদের সমর্থন জানাতে লর্ডসে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশ যদি শেষ ম্যাচটিতে পাকিস্তানকে হারাতে পারত, তাহলে আমরা সমর্থকরা অনেক বেশি খুশি থাকতাম। পয়েন্ট টেবিলের পাঁচেও জায়গা হতো। খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সমর্থকদেরও অনেক দিন ভোগাবে এই যন্ত্রণা।

 

কারো কোনো দায়িত্ববোধ দেখিনি

সাঈদ বাবু অভিনেতা

আমাদের প্রত্যাশা অনেক ছিল। তামিমের কথা বলতেই হয়, তিনি দলের অন্যতম সিনিয়র খেলোয়াড়। তিনি কী করলেন! সৌম্য নাকি ফ্ল্যাট উইকেটে ভালো খেলেন, কিন্তু কী দেখলাম? সাব্বির যে ম্যাচে কিছু রান করলেন, তাঁর কি ওখানেই থেমে যাওয়ার কথা? আমরা যাদের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ নিয়ে খেলেছি, তাদের লোয়ার অর্ডার দিয়েও ম্যাচ জয় করা সম্ভব। আর বাংলাদেশের প্রথম দুই-তিনটা উইকেট পড়ে গেলে ম্যাচ শেষ! তারপর সবাই অপেক্ষা করে আমরা কিভাবে হারব! মোসাদ্দেক-মিরাজের অলরাউন্ড পারফরম করার কথা, কিছুই পেলাম না। এমনকি মাশরাফি যদি মনে করেন তাঁর আর কিছু দেওয়ার নেই, নিজে থেকেই সরে যাওয়া উচিত। মাঠের বাইরে থেকেও নেতৃত্ব দেওয়া যায়। সাকিব আল হাসানসহ দু-একজনের জন্য আমরা তিনটা ম্যাচ জিতেছি। আর কারো কোনো দায়িত্ববোধ দেখিনি।

 

আমাদের নার্ভাসনেস এখনো কাটেনি

অপর্ণা ঘোষ অভিনেত্রী

আফগানিস্তান আর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ম্যাচ দেখেছিলাম। আফগানদের সঙ্গে জেতার কথাই ছিল, জিতেছেও। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচটা বাংলাদেশ শুরুতেই হেরে বসে আছে। ক্লাসের ফার্স্ট বয় সাকিব, তিনি ভালো করেছেন। দলের অনেকে পাসই করেননি। তাহলে ওভার অল তো ভালো বলা যায় না। মনে হয়েছে, আমাদের নার্ভাসনেস এখনো কাটেনি। সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে ফিল্ডিংয়ে। আমি তো ক্রিকেটার নই, দর্শক হিসেবে দেখি, ভালো টিমগুলো ব্যাটিং-বোলিংয়ে না পারলে ফিল্ডিংয়ে পুষিয়ে দেয়। এখানে একেবারেই ফ্লপ আমরা।

 

এত দিন কী অনুশীলন করলাম!

শাফায়েত মনসুর রানা নাট্য নির্মাতা

বোলিং আমাদের খুব ভুগিয়েছে। ব্রেক থ্রুর জন্য সৌম্য সরকারের দ্বারস্থ হতে হয়েছে, এটা আসলেই দুঃখজনক। তাহলে আমরা এত দিন কী অনুশীলন করলাম! বিশ্বকাপে এমন ফিল্ডিং মেনে নেওয়া যায় না। মনে হলো, প্লেয়াররা হুট করে দলে সুযোগ পেয়ে তড়িঘড়ি করে খেলতে নেমে গেছে। এই আসরে আমরা টেনেটুনে পাস করেছি। অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ ম্যাচ শেষে যখন প্রেজেন্টেশন চলছিল, অজি রিজার্ভ প্লেয়ারদের দেখলাম পুরো মাঠ তিনবার চক্কর দিয়েছে। কারণ ফিটনেস। তারা সব সময়ই রেডি। আমাদের ওপেনিং ব্যাটসম্যানরাও ভুগিয়েছে। এবারের খেলা দেখে ভয় হচ্ছে, সামনে কী হবে!

মন্তব্য