kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

ঈদের হাবিব

এক ঈদে দুই মিউজিক ভিডিও করেছেন হাবিব ওয়াহিদ। অন্যান্য কাজ এবং তাঁর ঈদ স্মৃতি নিয়ে লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন

৩০ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



ঈদের হাবিব

মনের কিনারায়

আজ-কালের মধ্যে সিডি চয়েসের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাবে হাবিব ওয়াহিদের গান-ভিডিও ‘মনের কিনারায়’। হাবিবের সুরের ওপর কথা লিখেছেন সুহৃদ সুফিয়ান। ২৪ থেকে ২৬ মার্চ কক্সবাজারে গানটির ভিডিওর শুটিং হয়েছে। নির্মাতা মারুফ রায়হান। ‘চলো না’ এবং ‘ঝড়’-এর পর আবারও হাবিবের ভিডিওতে মডেল হলেন শার্লিনা হোসেন। হাবিব বলেন, ‘ঈদের গান। সিডি চয়েসের কর্ণধার সোহেল ভাই একটি রোমান্টিক গান চেয়েছিলেন। হাতে সময় ছিল কম, তাই গানটি দিতে পারব কি না ভাবনায় ছিলাম। ১৭ বা ১৮ মের দিকে সুরটা চলে আসে। এক দিনেই পুরো সুর হয়ে যায়। এরপর কথা বসানো হয়। আমার সব গানের ভিডিওই এখন আমার এইচডাব্লিউ প্রডাকশন থেকে হয়। নিজেই সব দেখি। এই ভিডিওটি নিয়ে ভাবতে গিয়ে মনে হলো, ঢাকার বাইরে কোথাও শুটিং হলে ভালো হবে। রোজা রেখে তিন দিন ধরে শুটিং করেছি। অডিওর সঙ্গে ভিডিওটা বেশ গেছে। ঈদে আমার ভক্ত-শ্রোতাদের জন্য বিশেষ উপহার এই গান। গল্পে নতুনত্ব আছে। তবে সেটা এখনই বলতে চাই না!’

 

মন তুই

কয়েক দিন আগে হাবিব ওয়াহিদের ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও আকারে প্রকাশিত হয়েছে ‘মন তুই’। ডিসেম্বরের এক গভীর রাতে স্টুডিওতে বসে কাজ করছিলেন হাবিব। হঠাৎই সুরটা তাঁর মাথায় আসে। একবারেই পুরো গানের সুর হয়ে যায়। সুরের ওপর কথা লেখেন রাকিব হাসান রাহুল। ভিডিও নির্মাণে এইচডাব্লিউ প্রডাকশন। হাবিব বলেন, ‘সুরটা করার সময়ই মনে হচ্ছিল গ্র্যান্ড পিয়ানোর ওপর মিউজিক করলে ভালো হবে। করেছিও তাই। কিছু গান থাকে একান্তই নিজের জন্য। এটা তেমনই। গানের অনুভূতিটা অনেকটা নিজের সঙ্গে নিজের কথোপকথনের মতো। অনেক রাতেও একটা ছেলের ঘুম আসছে না। নিজের রুমে বসে পিয়ানো বাজিয়ে গানটি করছে। শুটিংয়েও গ্র্যান্ড পিয়ানো রেখেছি। আলো-আঁধারিতে শুটিং হয়।’

 

অন্যদের সঙ্গে

চলতি বছর এরই মধ্যে হাবিবের করা অন্য শিল্পীদের তিনটি গান প্রকাশিত হয়েছে। পড়শীর ‘আবাহন’, লিজার ‘এক যমুনা’ এবং হেলাল মিয়ার ‘কেন তারে ভালোবাসিলাম’। আরেকজন শিল্পীর জন্যও একটি গান করে রেখেছেন হাবিব। ঈদের পরই সেটির ভিডিও প্রকাশ করবেন নিজের ইউটিউব চ্যানেলে। ‘একজন সুরকার হিসেবে আমার মাথায় অনেক ধরনের সুরই আসে। এমন কিছু সুর আসে যা আমার গলায় মানায় না। সে সুরগুলো যাদের গলায় ভালো লাগবে মনে হয় তাদের দিয়ে গাওয়াই। এটা আমি খুব এনজয় করি। অডিও থেকে ভিডিও পর্যন্ত এ গানগুলোর পুরো তত্ত্বাবধান নিজে করি। নিজের চ্যানেলে প্রকাশ করি। বিনিয়োগও নিজের। এসব গানে এক্সপেরিমেন্ট থাকে। নিজে প্রকাশ করলেই এটা সম্ভব। বাইরের কাজ করলে তাদের চাওয়াকে প্রাধান্য দিতে হয়’—বলছিলেন হাবিব।

 

ছোট্টবেলার ঈদ

নিজের ছোটবেলার ঈদের স্মৃতিও শেয়ার করলেন হাবিব, ‘আমর বাপ-চাচারা ছয় ভাই। ছোটবেলা থেকেই দেখছি দুজন দেশের বাইরে। বাকি সবাই দেশে। ঢাকায় একসঙ্গে থাকা হতো সবার। সবচেয়ে বেশি মজা হতো ঈদে। সব বাচ্চা মিলে ঈদের নামাজ পড়তে যেতাম। বড়দের সালাম করে ঈদি পেতাম। চাচা-চাচি, মামা, খালারাও দিত। সব মিলিয়ে এক শ-দুই শ টাকা হয়ে যেত। সব নতুন কড়কড়ে নোট! নতুন টাকার গন্ধটাও খুব ভালো লাগত। টাকাগুলো মার কাছে দিয়ে দিতাম। ঈদের পর সেই টাকা দিয়ে মা আমাকে খেলনা বা নতুন জামা কিনে দিতেন। দিনগুলোর কথা এখন খুব মনে পড়ে। ঈদ এলে মনে হয় আবার যদি সেই ছোট্টবেলায় ফিরে যেতে পারতাম!’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা