kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফেসবুক থেকে

৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফেসবুক থেকে

দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য হ্যারি কিউবার্ট অ্যাফেয়ার

দ্য ট্রুথ অ্যাবাউট দ্য হ্যারি কিউবার্ট অ্যাফেয়ার

যুক্তরাষ্ট্র

ক্রাইম, মিস্ট্রি, ড্রামা

♦ ১৯৭৫ সালের কোনো এক দিন ১৫ বছর বয়সী নোলা নিখোঁজ হয়। তাকে শেষবার দেখেছিল ডেবোরা কুপার নামের এক মহিলা। বনের মধ্যে কেউ একজন নোলাকে ধাওয়া করছিল দেখে সে তাড়াতাড়ি পুলিশকে ফোন দেয়। কিন্তু তার কাছ থেকে আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। কারণ পুলিশ এসে তার গুলিবিদ্ধ লাশ পায়। ২০০৬ সাল, জনপ্রিয় তরুণ লেখক মার্কাস বেশ সমস্যায় পড়ে গেছে। রাইটার্স ব্লকে ভুগছে সে। কিন্তু প্রকাশকরা সে কথা বুঝবে কেন, ক্রমাগত চাপ দিয়ে যাচ্ছে তারা। এ অবস্থায় তার গুরু আরেক বিখ্যাত লেখক হ্যারি কুবার্টের বাগানবাড়িতে লেখার উৎসাহ পেতে কয়েক দিনের জন্য বেড়াতে যায়। কিন্তু হ্যারির কিছু ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে নাড়াচাড়া করার রেশ ধরে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য দেখা দেয়। ফলে বাড়ি ফিরে আসে মার্কাস। এর কিছুদিন পরই খবর দেখে চমকে ওঠে মার্কাস। হ্যারির বাড়ির উঠানে মাটির নিচ থেকে নোলার মৃতদেহের অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে। পুলিশ খুনের দায়ে গ্রেপ্তার করেছে হ্যারিকে। কারণ হ্যারির সঙ্গে নোলার এক অসম প্রেম ছিল বলে গুজব আছে। নোলা নিখোঁজের সময় সন্দেহভাজনের তালিকায় হ্যারিও ছিল। পুলিশের সন্দেহ আরো পাকাপোক্ত হয়, যখন নোলার মৃতদেহের সঙ্গে হ্যারির সবচেয়ে জনপ্রিয় বই ‘অরিজিন অব ইভিল’-এর ম্যানুস্ক্রিপ্ট পাওয়া যায়। আবার শুরু হয় পুলিশি তদন্ত, সঙ্গে মার্কাসও হ্যারিকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য সত্য খোঁজার চেষ্টা করতে থাকে। সুইস নভেলিস্ট জোয়েল ডিকারের একই নামের বই থেকে ১০ পর্বের সিরিয়ালটি নির্মাণ করা হয়েছে। বেশ ভালো টুইস্টে ভরপুর কাহিনি। নোলার খুনির পরিচয় পাওয়ার পর একটু ধাক্কাই খেতে হয়। যদিও ডিরেক্টরের দোষে একটা গুরুত্বপূর্ণ টুইস্ট আগে থেকেই বোঝা গেছে, যেটা বই পড়লে হয়তো মাথা ঘুরিয়ে দিত। তবে সব মিলিয়ে রহস্যপ্রেমীদের খুব একটা খারাপ লাগবে না সিরিয়ালটা।

তাজিম রহমান নিশীথ

সিরিয়ালখোর গ্রুপের পোস্ট

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা