kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

গানে গানে নারী বন্দনা

৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



গানে গানে নারী বন্দনা

আগামীকাল বিশ্ব নারী দিবস। দিবসটি সামনে রেখে ‘তুমি জাগো’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করছেন ফাহমিদা নবী। নারীদের নিয়ে এর আগে আরো সাতটি গান গেয়েছেন এই গায়িকা। লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। ছবি তুলেছেন মহসিন আহমেদ

 

তুমি জাগো

গানটির মুখ—‘তুমি জাগলেই পাগলা হাওয়াটা বইবে এ পথ ধরে/তুমি জাগলেই রাত কেটে যাবে সূর্য উঠবে ভোরে/তুমি জাগলেই শীতের সকালে হাসবে সোনালী আগুন/তুমি জাগলেই মানবকাননে আসবে সুখের ফাগুন/তুমি জাগো, তুমি জাগো, তুমি জাগো’। স্টুডিও ভার্সন ভিডিওতে এটি আজ-কালের মধ্যে প্রকাশিত হবে ফাহমিদা নবীর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে। কথা লিখেছেন মহিদুল ইসলাম। সুর করেছেন ফাহমিদা নবী নিজেই। সংগীতায়োজনে বর্ণ চক্রবর্তী। গায়িকা বলেন, ‘বিভিন্ন সময় নারীদের ভিন্ন ভিন্ন বিষয় নিয়ে গান করেছি। ২০১৯-এ এসে নারী এখন আর কিছু চায় না। নারী এখন সম-অধিকারের কথা বলে। মানুষ হিসেবে নারী যে সম-অধিকার প্রাপ্য, সেটাই গানটিতে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে জেগে ওঠার কথা।’

 

বীরাঙ্গনা

গত বছর বিজয় দিবসে গানটি ভিডিও আকারে প্রকাশিত হয়। মঞ্জুর উল আলম চৌধুরীর কথায় সুর করেছেন শেখ সাদী খান। ভিডিও নির্মাতা তাহমিনা মুক্তা। ফাহমিদা নবী বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নারীদের ভূমিকার কথা বলে শেষ করা যাবে না। সেই সব নারীর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতেই গানটি করা।’

 

এই বাংলাকে ভালোবেসে

‘এই বাংলাকে ভালোবেসে আমি তো হয়েছি মা, আমাকে দোষ দিও না/আমাকে দোষ দিও না’—নারীদের নিয়ে ফাহমিদা নবীর প্রথম গান। ২০০৫ সালে প্রকাশ পায়। ঠাঁই পায় ফাহমিদার একক অ্যালবাম ‘দুপুরের একলা পাখি’তেও। গোলাম মোর্শেদের কথায় এতে সুর করেন নিপু। বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসর্গ করে তাদের গল্পই গানটিতে তুলে ধরা হয়। ভিডিওচিত্রে দেখানো হয় ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে।

 

দাও মুক্তি দাও ধৈর্য

২০০৬ সালে ইউএনডিপির আয়োজনে একটি এনজিওর জন্য গানটি করেন। প্রথম লাইন—‘আনন্দভোরের সূর্য উঠুক দিগন্ত জুড়ে’। কথা লিখেছেন তারিকুল লাভলু। সুর দিয়েছেন গায়িকা নিজে। এই গানে উঠে এসেছে বাল্যবিবাহ রোধসহ কিছু সামাজিক বক্তব্য।

 

সুন্দর পৃথিবী

২০০৮ সালের ৮ মার্চ নারী দিবসের একটি অনুষ্ঠানের জন্য গানটি করেন ফাহমিদা। কথা লিখেছেন লিটন অধিকারী রিন্টু। সুর আলী আকবর রূপুর। গায়িকা বলেন, ‘এইচআইভি, এসিড সন্ত্রাসসহ নানা প্রতিবন্ধকতা থেকে নারীরা যাতে মুক্তি পেয়ে সুন্দর একটি পৃথিবী গড়ে তুলতে পারে, সে বার্তাটিই গানটির মাধ্যমে দিতে চেয়েছি। এটা খুব ইতিবাচক একটা গান।’

 

মেয়েটি

২০১০ সালের নারী দিবসে বাংলাদেশ বেতারের একটি  অনুষ্ঠানে গানটি করেন তিনি। কথা লিখেছেন দৌলত। সুর জালাল আহমেদের। ফাহমিদা নবী জানান, এই গানের গল্পে চারজন নারী চরিত্র রয়েছে। সেখানে একজন সাহসী, একজন ভীতু, একজন দুঃখী এবং একজন বুদ্ধিমতী। তারা কিভাবে সময়ের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেয়, সেই বার্তাই রয়েছে গানটিতে।

 

কতদিন খুলিনি সে ডায়েরীর পাতা

বাংলাভিশনে নারী দিবসের একটি অনুষ্ঠানের জন্য গানটি লেখেন ও সুর করেন ফাহমিদা নবী। ভিডিও নির্মাণ করেন নাহিদ আহমেদ বিপ্লব। ‘গানটি একটি মেয়ের জীবনের গল্প নিয়ে। একদিন ডায়েরির পাতা খুলতে খুলতে মেয়েটি সময়ের সঙ্গে নিজেকে মেলায়। জীবনে সে কী কী করতে চেয়েছে, কী কী করতে পেরেছে, কী কী বাকি আছে’—বলছিলেন ফাহমিদা।

 

নারী তুমি অনন্যা

২০১৬ সালে আরটিভির নারী দিবসের সম্মাননা অনুষ্ঠানের জন্য গানটি করেন ফাহমিদা নবী। কথা লেখেন নিজেই। সুর করেন তাঁর ভাই পঞ্চম। গায়িকা বলেন, ‘সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের যে অবদান, যে এগিয়ে যাওয়া, সেটাই এ গানটিতে বলতে চেয়েছি।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা