kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

অবশেষে অলিভিয়া

টিভির নিয়মিত মুখ, হালে সিনেমাও করছেন। তবু অলিভিয়া কোলম্যানের তত পরিচিতি নেই। ‘দ্য ফেভারিট’-এর কল্যাণে বাফটায় সেরা অভিনেত্রী হওয়া অলিভিয়াকে নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অবশেষে অলিভিয়া

গেল কয়েক বছরের জনপ্রিয় টিভি সিরিজগুলোর তিনটি—‘ব্রডচার্চ’, ‘দ্য নাইট ম্যানেজার’, ‘দ্য ক্রাউন’-এর গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তিনি ছিলেন। সিনেমার কথা যদি বলা হয় তাহলে তিনি করেছেন ‘দ্য লবস্টার’, ‘হাইড পার্ক অব হাডসন’-এর মতো ছবি। তবে যা-ই করুন, কোনো এক অজানা কারণে বারবারই একটু আড়ালে থেকে যান অলিভিয়া কোলম্যান। মূলত টিভি অভিনেত্রী। ২০০০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত জনপ্রিয় অনেকগুলো ব্রিটিশ সিরিজ করেছেন। এর মধ্যে ‘টোয়েন্টি টুয়েলভ’ আর ‘অ্যাকিউজড’-এর জন্য জিতেছেন বাফটা। ‘দ্য নাইট ম্যানেজার’-এর জন্য গোল্ডেন গ্লোব। তার পরও যতটা পাওয়ার কথা, প্রচার পাননি। অভিনেত্রীর নিজের এ নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই। মজা করে বলেন, ‘ব্রিটেনের সবচেয়ে ক্ষমতাবান হওয়ার পরও আমাকে নিয়ে হৈচৈ নেই।’ নিজেকে ‘ক্ষমতাবান’ বলার কারণ আছে। কারণ পর্দায় তিনি দু-দুবার ব্রিটিশ রানির চরিত্র করেছেন। ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হাইড পার্ক অন হাডসন’-এ তিনি করেছেন কুইন এলিজাবেথের চরিত্র, আবার ‘দ্য ক্রাউন’-এ তিনি কুইন এলিজাবেথের মেয়ে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের চরিত্র করেছেন। অন্য আর কোনো অভিনেত্রীকে এ দুই চরিত্র করতে দেখা যায়নি। যে ‘দ্য ফেভারিট’ দিয়ে তিনি বাফটায় সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন, সেই ছবিতেও তিনি ব্রিটেনের রানি। এবার তাঁকে দেখা গেছে ‘অ্যান’-এর ভূমিকায়। অনেকের কাছে বারবার রানির চরিত্র একঘেয়ে লাগলেও অলিভিয়া ভালোই উপভোগ করেন, ‘সত্যি বলতে কি, আমি এসব চরিত্র করা দারুণ উপভোগ করি। একমাত্র কষ্ট যা সেটা হলো, তখনকার দিনের আঁটসাঁট পোশাক পরা।’ ‘দ্য ফেভারিট’-এ অলিভিয়ার অন্তর্ভুক্তি ইয়োগোস ল্যানথিমোসের হাত ধরে। এই গ্রিক পরিচালকের আগের ছবি ‘দ্য লবস্টার’-এও তিনি ছিলেন। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া এই ব্ল্যাক কমেডি কান চলচ্চিত্র উৎসবে তিনটি পুরস্কার জিতেছিল। ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই তাঁকে সিরিয়াস আর গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গেলেও ছোট চরিত্রেও আপত্তি নেই অলিভিয়ার; এই যেমন ‘দ্য নাইট ম্যানেজার’। বিবিসির এই মিনিসিরিজে ছোট হলেও তাঁর উপস্থিতি এতটাই উজ্জ্বল ছিল যে গোল্ডেন গ্লোব জিতেছিলেন। অথচ এই সিরিজে পরিচালক তাঁকে নিতেই চাননি! ঘটনা হলো, শুটিংয়ের সময় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন অভিনেত্রী, তাই পরিচালক নিতে চাননি। কিন্তু অলিভিয়া বোঝান, শারীরিক অবস্থা যেমনই থাকুক, তিনি সর্বোচ্চটাই দেবেন। ৪৫ বছর বয়সী অভিনত্রী মনে করেন, চেষ্টা থাকলে যেকোনো পরিস্থিতিতে, যেকোনো চরিত্রেই দাগ কাটা যায়, “১৯৯৬ সালে ‘ফার্গো’ করার সময় ফ্রান্সিস ম্যাকডোরম্যান্ড আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। এটা আমার কাছে বড় প্রেরণা। তাঁকে দেখেই শিখেছি, কোনো সমস্যাই আসলে সমস্যা নয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা