kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

ফাইনালি রাইমা

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফাইনালি রাইমা

একসময় প্রায় প্রতি মাসেই মুক্তি পেয়েছে তাঁর বাংলা ছবি। সেখান থেকে গেল তিন বছরে মাত্র একটি! আগামীকাল ‘ফাইনালি ভালোবাসা’র মুক্তি উপলক্ষে তাঁকে নিয়ে লিখেছেন নাসরিন হক

 

২০১০ থেকে ২০১৬—এই ছয় বছরে টানা বাংলা ছবি করে গেছেন রাইমা সেন। মাঝে তো কথাও উঠেছিল—হিন্দিতে কাজ পাচ্ছেন না, তাই বাংলায় এত ছবি। সেটার জবাব দিতেই কি না ২০১৬ সালে ‘ক্ষত’ মুক্তির পর বাংলা ছবি করেননি, মাঝে ‘রিইউনিয়ন’ মুক্তি পেয়েছিল শুধু। যে বাংলা ছবি করে তিনি এত পরিচিতি পেয়েছেন, সেখানে কেন অনিয়মিত? ‘আসলে টানা অনেক কাজ করেছিলাম, খানিকটা একঘেয়েমিও চলে এসেছিল। তাই কাজ কমিয়ে দিয়েছিলাম। তবে এখন আবার কাজ করছি’—বলেন রাইমা। গেল তিন বছর মাত্র একটি বাংলা ছবি মুক্তি পেলেও ‘বলিউড ডায়রিজ’ ও ‘কুলদীপ পাতওয়াল : আই ডিড নট ডু ইট’ নামে দুই হিন্দি ছবি করেছেন, যেগুলো ততটা আলোচিত হয়নি। তবে হয়েছে ‘হ্যালো’। অনলাইন স্ট্রিমিং সাইট ‘হইচই’ থেকে মুক্তি পাওয়া এই ওয়েব সিরিজ মুক্তির পর থেকেই জনপ্রিয় হয়। সফল প্রথম সিজনের পর কিছুদিন আগে প্রচারিত হয়েছে দ্বিতীয়টিও। ভালো সাড়া পাওয়ার পর ঠিক হয়েছে তৃতীয় সিজনও হবে, “‘হ্যালো’র সিজন থ্রিও হবে। ওরা আমাদের ডেট চায় পূজার আগে বা পরে।” মাঝে একঘেয়েমি তৈরি হলেও রাইমা মনে করেন, ওয়েব সিরিজ অভিনেতা-অভিনেত্রীদের জন্য নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে, ‘এখানে অনেক বেশি স্বাধীনতা, নানা রকমের গল্প হচ্ছে। আমার বেশ ভালো লাগছে।’ কিছুদিন আগেই রাইমা শেষ করেছেন ‘পরছাই’। অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরীর এই ওয়েব সিরিজ দেখা যাবে ‘জিফাইভ’-এ। অভিনেত্রী মনে করছেন, সাময়িক বিরতি তাঁর জন্য ভালোই হয়েছে, “আমি এখন প্রচুর কাজ করছি। সিকিম যাচ্ছি অন্য একটা ওয়েব সিরিজের কাজের জন্য। এটা হিন্দি। নেটফ্লিক্সের জন্য একটা ছবি করলাম। ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বিনয় পাঠকের সঙ্গে হিন্দি ছবির শুটিং। এ ছাড়া ১২ এপ্রিল চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘তারিখ’ মুক্তি পাবে। সো, এগেন আই অ্যাম ব্যাক।”

দেখতে দেখতে চলচ্চিত্রজগতে প্রায় দুই দশক পার করে দিলেন। রাইমা মনে করেন, এখনো অনেক কিছুই করা বাকি, ‘বিভিন্ন ভাষায় প্রায় ৭৫টি ছবি করেছি কুড়ি বছরে। নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে হয়। এভাবেই আরো কাজ করে যেতে চাই।’

আগামীকাল মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘ফাইনালি ভালোবাসা’ অঞ্জন দত্তর ছবি। আগেও পরিচালকের ‘গণেশ টকিজ’-এ কাজ করেছেন তিনি। ছবিতে তিনটি গল্প আছে। রাইমা এমন একটি মেয়ের চরিত্র করেছেন, যে নিজের হারিয়ে যাওয়া স্বাধীনতা খুঁজছে। ছবিতে রাইমার স্বামীর চরিত্র করেছেন পরিচালক অরিন্দম শীল।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা