kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পাঁচের ৫ রকম

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পাঁচের ৫ রকম

আনন্দ এল রাই

কেউ ভালোবাসেন বিলাসবহুল সেটে কাজ করতে, কেউ আবার সেটই ব্যবহার করেন না। বলিউডের নানা ধরনের পাঁচ পরিচালককে নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

 

সঞ্জয়লীলা বানসালি : ‘রামলীলা’, ‘বাজিরাও মাস্তানি’ থেকে ‘পদ্মাবৎ’—দারুণ সব সেট বানিয়ে তাজ্জব করে দিয়েছেন সঞ্জয়লীলা বানসালি। সব ছবিতেই এমন ব্যয়বহুল আর জাঁকজমক সেট ব্যবহারের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন পরিচালক, ‘আমি খুবই দরিদ্র পরিবারের ছেলে, অভাব আর দুঃখকষ্টে বড় হয়েছি। ঘরের দেয়ালে ঝোলানোর মতো একটা ছবি কেনার সামর্থ্যও ছিল না। তাই পরিচালক হওয়ার পর চেয়েছি পর্দায় নিজের কল্পনার পুরোটা তুলে ধরতে।’

 

অনুরাগ কাশ্যপ : তাঁকে বলিউডের ‘অপরাধী’ পরিচালক বলা যেতে পারে। খুন, সিরিয়াল কিলিং, অপহরণ, নৃশংসতা—বরাবরই অন্ধকার জগতের গল্প বলতে ভালোবাসেন অনুরাগ কাশ্যপ। ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’, ‘আগলি’ থেকে ‘রমন রাঘবন’ ছবিতে অপরাধ ফিরে ফিরে এসেছে বারবার। অনুরাগ বলেন, ‘সহিংসতা সমাজে সব সময়ই হয়ে আসছে, আর এটা নিয়ে কাজ করতে আমার ভালো লাগে। ছবিতে সরাসরি নিষ্ঠুরতা করতে দেখাই না, কিন্তু এমন প্রেক্ষাপট তৈরি করি, যাতে দর্শক বুঝে যায়। আমি বাধ্য না হলে সেট তৈরি করি না, রিয়াল লোকেশনে কাজ করি।’

 

রাজকুমার হিরানি : মজা করে গল্প বলতে ওস্তাদ রাজকুমার হিরানি। বিষয়   যা-ই হোক, সেখানেও ঠিকই তাঁর সিগনেচার পাওয়া যাবে। এমনকি সেটা সঞ্জয় দত্তর বায়োপিকেও। অনেকেই ভেবেছিলেন, ‘সঞ্জু’ হয়তো খানিকটা অন্য রকম হবে, কিন্তু এই ছবি পরিচালকের নাম না জেনে দেখলেও বোঝা যায়, রাজকুমার হিরানি বানিয়েছেন।

 

সুজিত সরকার : বিজ্ঞাপন থেকে সিনেমা—সুজিত সরকারের সঙ্গে অনেক কাজ করেছেন অমিতাভ বচ্চন। সুজিত সরকার সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য, ‘সুজিত হলো অনেকটা হৃষিদা [হৃষিকেষ মুখোপাধ্যায়] টাইপের পরিচালক। আর্ট আর কমার্শিয়ালের মাঝামাঝি কিছু একটা। পর পর এ ধরনের ছবি করাটা ভীষণ কঠিন। কিন্তু সুজিত সেটা করে দেখিয়েছে।’ ‘ভিকি ডোনার’, ‘পিকু’, থেকে ‘অক্টোবর’—সুজিতোর সব ছবির কমন বৈশিষ্ট্য হাতে গোনা কয়েকটি চরিত্র নিয়ে খুবই কম বাজেটে তৈরি করেন তিনি।

 

আনন্দ এল রাই : তাঁকে বলা হয় ‘ছোট শহরের পরিচালক’। ঝকঝকে শহর থেকে বেরিয়ে বেনারসসহ অন্যান্য ছোট শহর নিয়ে কাজ করেন তিনি। ‘তনু ওয়েডস মনু’ সিরিজ, ‘রানঝানা’তে সেটা দেখা গেছে। তাঁর প্রযোজিত ‘হ্যাপি ভাগ জায়েগি’, ‘শুভ মঙ্গল সাবধান’, ‘মনমর্জিয়া’তেও সেই ধারা অব্যাহত আছে। আনন্দ এল রাইয়ের ভাষায়, ‘আমি বড় হয়েছি ছোট শহরে। সেখানে পাড়ার সবাই সবাইকে চেনে, একে অন্যের দুঃখ-সুখে এগিয়ে আসে। পাশের বাড়ির মেয়েটিকে ভালো লাগে। এই সব নস্টালজিয়া বারবার ছবিতে এসেছে। বড় শহরের গল্প দেখতে দেখতে মানুষ হয়তো ক্লান্ত ছিল। সে জন্য আমার কাজ পছন্দ করেছে।’

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা