kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

হালসির আপন ভুবন

গান তো বটেই, সমাজকর্মী, নারী অধিকার কর্মী হিসেবেও আলোচিত হালসি। এ সপ্তাহে তাঁর গান ‘উইদাউট মি’ আছে বিলবোর্ড টপ চার্টের শীর্ষে। গায়িকাকে নিয়ে লিখেছেন লতিফুল হক

১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হালসির আপন ভুবন

হালসি সোজাসাপটা। একটু রগচটাও বটে। পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দিতে বসলে ‘গোপন’ নানা বিষয় নিজে থেকেই বলে দেন। যেমন—তিনি যে টিনএজ বয়সে বাইপোলার ডিস-অর্ডারে আক্রান্ত ছিলেন, সেটা বলে দিয়েছেন আগেভাগেই। হালসির বয়স এখনো খুব বেশি নয়, মাত্র ২৪। এর মধ্যে বিরাট বড় কোনো কীর্তি গড়েননি, ক্যারিয়ার মাত্র চার বছরের। কিন্তু গানে, আচার-আচরণে নিজস্ব এক বৈশিষ্ট্য তৈরি করেছেন। ‘হালসি ব্র্যান্ড’ যাকে বলে থাকে ভক্তরা। ‘ব্যাডল্যান্ডস’ আর ‘হোপলেস ফাউন্টেন কিংডম’—তাঁর শুরুর দুই অ্যালবাম বেশ সাফল্য পেয়েছিল। বিলবোর্ড অ্যালবাম টপ চার্টের দুই আর একে জায়গাও পেয়েছিল। তবে গানের চেয়ে পরে সামাজিক নানা আন্দোলনে জড়িয়েই বেশি পরিচিতি পান গায়িকা। হালসি মূলত আত্মহত্যাবিরোধী প্রচারণায় যুক্ত। এ ছাড়া নারী অধিকার, যৌন হয়রানি বন্ধ ইত্যাদি নিয়েও তিনি সব সময়ই উচ্চকণ্ঠ। ২০১৮ সালের মার্চে বিশ্বব্যাপী ‘ওম্যান’স মার্চ’-এ বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে আলোচিত  হয়েছিলেন। গায়িকা মনে করেন, কিশোরী বয়স থেকে শারীরিক অসুস্থতা তাঁকে পরের জীবনের ‘লড়াই’-এর জন্য তৈরি করে দিয়েছে, ‘১৭ বছর বয়সে বাইপোলারে আক্রান্ত হওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ঘটনা। আমি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলাম, মানসিক হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম—জীবনের অনেক কিছুই দেখা হয়ে গেছে। এখন আর কিছু ভয় পাই না।’ তবে এটাই শেষ নয়, বছর দুয়েক আগেও আরো নানা শারীরিক সমস্যা তাঁকে জ্বালিয়ে মেরেছে।

তবে এখন সুস্থ গায়িকা, ট্যুর নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন দেশে দেশে। হালে তিনি আলোচিত ‘উইদাউট মি’ দিয়ে। গেল বছর অক্টোবরে মুক্তি পাওয়া গানটি এখন আছে বিলবোর্ড হট হান্ড্রেড-এর শীর্ষে। হালসির এটাই প্রথম গান, যা বিলবোর্ড টপ চার্টের এক নম্বরে উঠল। ব্রিটিশ পপ রক ব্যান্ড ‘দ্য ১৯৭৫’-এর চরম ভক্ত হালসি। ‘উইদাউট মি’ গানে ব্যান্ডটির বেশ প্রভাব আছে। এই সিঙ্গলের সাফল্যে গায়িকা ভাবছেন এ বছরই তৃতীয় অ্যালবাম মুক্তি দেওয়ার কথা।

সামাজিক কার্যক্রম, গান—সব মিলিয়ে তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হালসি। প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুসরণকারীর সংখ্যা, যাতে খুশি গায়িকাও। এভাবে বিভিন্ন সামাজিক বার্তা সহজেই মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা