kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

হ্যালোইনে মৃত্যুফাঁদ

হরর ছবির ভক্তদের কাছে ‘হ্যালোইন’ যেন অন্য রকম এক নস্টালজিয়া। ভয় পেলেও যে স্মৃতিতে দর্শক ফিরে যেতে চায় বারবার। চার দশক পর আগামীকাল নতুন করে বড় পর্দায় আসছে ছবিটি। লিখেছেন হাসনাইন মাহমুদ

১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



হ্যালোইনে মৃত্যুফাঁদ

১৯৭৮ সালে জন কার্পেন্টারের পরিচালনায় প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় আসেন সিরিয়াল কিলার মাইকেল মায়ার্স। হ্যালোইনের রাতে  এই সিরিয়াল কিলারের টার্গেট ছিল বেবিসিটাররা। মুক্তির পরে বক্স অফিসে ঝড় তোলার পাশাপাশি হরর ঘরানার চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কিংবদন্তির স্বীকৃতি পায় ছবিটি। পরে এর বেশ কয়েকটি সিক্যুয়াল হলেও প্রথমটির নামের মর্যাদা রাখতে পারেনি কোনোটিই। তাই এবার ৪০ বছর পর আবারও সম্পূর্ণ নতুন রূপে বেবিসিটারদের ঘুম হারাম করতে আসছেন মাইকেল মায়ার্স। সরাসরি ১৯৭৮-এর প্রথম চলচ্চিত্রটির সিক্যুয়াল হিসেবে মুক্তি পাবে ‘হ্যালোইন’।

৪০ বছর আগের দুঃস্বপ্ন থেকে রেহাই পাওয়া লরি স্ট্রোড আবারও মুখোমুখি হবে সিরিয়াল কিলারের। শুধু তার জীবনই নয়, আরো অনেকের জীবন রক্ষা করতেই এবার লড়াইটা হবে লরির। লরি স্ট্রোড হিসেবে আবারও পর্দায় আসছেন জেমি লি কার্টিস এবং সিরিয়াল কিলার মাইকেল মায়ার্স চরিত্রে ফের দেখা যাবে নিক ক্যাসেলকে। লরি স্ট্রোড চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে অমরত্বের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী জেমি লি। কিন্তু এবারের সিক্যুয়ালে অভিনয় করতে শুরুতে একেবারেই রাজি হচ্ছিলেন না। এদিকে জেমিকে ছাড়া চলচ্চিত্রটি নির্মাণের কথা চিন্তাও করতে পারছিলেন না নির্মাতারা। ঘটনা শুনে এগিয়ে আসেন চলচ্চিত্রটির লেখক ড্যানি ম্যাকব্রাইডের বন্ধু অভিনেতা জ্যাক গিলেনহল। তিনিই ফের অভিনয়ের জন্য লি কার্টিসকে রাজি করান। এ প্রসঙ্গে ৫৯ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, ‘আগের সিক্যুয়ালগুলোর নিম্ন মানের জন্যই আমি রাজি হচ্ছিলাম না। তবে ম্যাকব্রাইডের চিত্রনাট্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। দর্শক আবারও সেই ১৯৭৮-এর অনুভূতি ফেরত পাবে।’

চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন ডেভিড গর্ডন গ্রিন। মজার ব্যাপার, পরিচালকের চেয়ে পত্রিকার শিরোনামে আসছে চিত্রনাট্যকার ড্যানি ম্যাকব্রাইডের নাম। কারণটাও বেশ মজার, ড্যানি যে বিখ্যাত কৌতুক অভিনেতা। লোক হাসানো এই মানুষটির লেখা হরর ছবির চিত্রনাট্য কেমন হবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। ম্যাকব্রাইড এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘শুধু হাসাতেই নয়, ভয়ও পাওয়াতে পারি।’ তিনি যে ভুল কিছু বলেননি তার প্রমাণ মিলেছে চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে। দর্শক-সমালোচকদের মতে, এই দশকের সবচেয়ে ভয়ের চলচ্চিত্রটি হতে যাচ্ছে ‘হ্যালোইন’। বক্স অফিস বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, রীতিমতো ঝড় তুলবে এই চলচ্চিত্র। তবে ভক্তদের হতাশ করেছেন স্রষ্টা জন কার্পেন্টার। তিনি বলেছেন, আর নির্মাণ করা হবে না হ্যালোইন। তবে ভক্তরা মনে করছে, এই ছবি সফল হলে ঠিকই মত বদলাবেন তিনি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা